Editor's Choice

লেখক: কাজী নজরুল ইসলাম

ডায়ারের স্মৃতিস্তম্ভ [ যুগবাণী, প্রবন্ধ ] কাজী নজরুল ইসলাম

ডায়ারের স্মৃতিস্তম্ভ [ যুগবাণী, প্রবন্ধ ] কাজী নজরুল ইসলাম

ডায়ারের স্মৃতিস্তম্ভ [ যুগবাণী, প্রবন্ধ ] কাজী নজরুল ইসলাম : আমাদের হিন্দুস্থান যেমন কীর্তির শ্মশান, বীরত্বের গোরস্থান, তেমনই আবার তাহার বুক অত্যাচারীর আততায়ীর আঘাতে ছিন্নভিন্ন। সেইসব আঘাতের কীর্তিস্তম্ভ বুকে ধরিয়া স্তম্ভিতা এই ভারতবর্ষ দুনিয়ার মুক্তবুকে দাঁড়াইয়া আজ শুধু বুক চাপড়াইতেছে। অত্যাচারীরা যুগে যুগে যত কিছু কীর্তি রাখিয়া গিয়াছে, এইখানে তাহাদের সব কিছুরই স্মৃতিস্তম্ভ আমাদের চোখে ...

বিস্তারিত পড়ুন

Read more

কাজী নজরুল ইসলামের ‘নজরুল স্বরলিপি’: বাংলা কাব্যসংগীতে বিশুদ্ধ সুর সংরক্ষণের প্রথমালেখ্য

বিংশ শতাব্দীর ১৯২০-এর দশকের শেষভাগ থেকে ১৯৩০-এর দশকের সূচনা পর্যন্ত সময়কালটি ছিল কাজী নজরুল ইসলামের সংগীতজীবনের এক অবিশ্বাস্য স্বর্ণযুগ। তৎকালীন গ্রামোফোন কোম্পানির রেকর্ডিং, বেতার ও মঞ্চে তাঁর রচিত গানগুলো গোটা বাংলায় অভূতপূর্ব উন্মাদনা তৈরি করেছিল। কিন্তু এই তুমুল জনপ্রিয়তার সাথে সাথে একটি নতুন সংকট দেখা দেয়—সংগীতশিল্পী ও শিক্ষকগণ লিখিত রূপ না থাকায় নিজ নিজ খেয়ালখুশিমতো ...

বিস্তারিত পড়ুন

Read more

কাজী নজরুল ইসলামের ‘শিউলি মালা’: পরিণত কথাসাহিত্য, পল্লীজীবন ও মনস্তাত্ত্বিক রূপকথা

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কাজী নজরুল ইসলাম কবি ও সুরকার হিসেবে যতটা উজ্জ্বল, গল্পকার হিসেবেও তাঁর রূপ সৃষ্টি ততটাই গভীর ও সংবেদনশীল। ১৯২০-এর দশকের শুরুতে তাঁর তরুণ বয়সের ভাবাবেগ ও রোমান্টিকতায় ভরা প্রথম দুটি গল্পগ্রন্থ ‘ব্যথার দান’ (১৯২২) ও ‘রিক্তের বেদন’ (১৯২৪) প্রকাশের পর, ১৯৩০-এর দশকের সূচনাতে নজরুল কথাসাহিত্যের এক অত্যন্ত পরিপক্ক ও সংযত ধাপে পদার্পণ ...

বিস্তারিত পড়ুন

Read more

কাজী নজরুল ইসলামের ‘রিক্তের বেদন’: বঞ্চিতের দীর্ঘশ্বাস, প্রচ্ছন্ন বিরহ ও রোমান্টিক গদ্যের প্রথম আলেখ্য

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯–১৯৭৬) প্রধানত “বিদ্রোহী কবি” এবং কালজয়ী সুরস্রষ্টা হিসেবে সমধিক পরিচিত হলেও, তাঁর সাহিত্য জীবনের সূচনালগ্নটি রচিত হয়েছিল এক দরদী কথাসাহিত্যিকের হাতে। ১৯২০-এর দশকের শুরুতে করাচি সেনানিবাস থেকে সৈনিক জীবন শেষ করে কলকাতায় ফিরে আসার পর কবি কাব্যের পাশাপাশি কথাসাহিত্যেও তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেন। ১৯২৪ সালে (১৩৩১ বঙ্গাব্দ) প্রকাশিত ‘রিক্তের ...

বিস্তারিত পড়ুন

Read more

কাজী নজরুল ইসলামের ‘সুর-সাকী’: গজলের সুরমদিরা, সাকী-রূপক ও রাগসংগীতের স্বর্ণপেটিকা

বাংলা কাব্যসংগীতের ইতিহাসে ১৯৩২ সালটি ছিল কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য ও সংগীতসাধনার এক মহাসাধনার বছর। এই একই বছরে একদিকে যেমন প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর আধ্যাত্মিক তেজস্বিতায় ভরা ইসলামি গীতি-সংকলন ‘জুলফিকার’ এবং প্রকৃতি ও প্রেমের গানভিত্তিক ‘বনগীতি’, ঠিক অন্যদিকে কাজী নজরুল ইসলাম প্রকাশ করেন তাঁর গীতিজীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও রোমান্টিক সংকলন ‘সুর-সাকী’ (১৯৩২)। মধ্যপ্রাচ্যের সুফি দর্শন, ফার্সি ...

বিস্তারিত পড়ুন

Read more

কাজী নজরুল ইসলামের ‘সুরলিপি’: শুদ্ধ সুর সংরক্ষণ ও স্বরলিপির অনন্য আলেখ্য

বিংশ শতাব্দীর ত্রিশের দশকে বাংলা গানের ভুবনে কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন এক অপ্রতিদ্বন্দী সুরস্রষ্টা। গ্রামোফোন রেকর্ড কোম্পানি, রেডিও ও মঞ্চে তাঁর রচিত গানগুলো প্রতিদিন লক্ষ মানুষের হৃদয়ে আলোড়ন তুলছিল। তবে জনপ্রিয়তার এই জোয়ারের পেছনে একটি বড় সংকটও দেখা দিয়েছিল—সংগীতশিল্পীদের যথেচ্ছ গায়কি এবং স্বরলিপির অপ্রতুলতার কারণে মূল সুর, রাগ ও তালের বিশুদ্ধতা ক্ষুণ্ন হচ্ছিল। নিজের গানের ...

বিস্তারিত পড়ুন

Read more

কাজী নজরুল ইসলামের ‘সুরমুকুর’: বাংলা কাব্যসংগীতে বিশুদ্ধ সুর ও স্বরলিপির আলেখ্য

কাজী নজরুল ইসলাম কেবল একজন উর্বর মস্তিষ্কের প্রলয়ঙ্করী কবি বা সুরস্রষ্টাই ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলা সুরের মূল কাঠামো ও তার বিশুদ্ধতা রক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন এক অভিভাবক। ১৯২০ ও ১৯৩০-এর দশকে যখন গ্রামোফোন রেকর্ডের মাধ্যমে তাঁর রচিত গানগুলো দাবানলের মতো সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়ছিল, তখন একটি গুরুতর সমস্যা দেখা দেয়—বিভিন্ন শিল্পী ও শিক্ষক গান ...

বিস্তারিত পড়ুন

Read more

কাজী নজরুল ইসলামের ‘রাঙা জবা’: শ্যামাসঙ্গীত ও শাক্ত ভাবধারার পরম অর্ঘ্য

বাংলা কাব্যসংগীতের ইতিহাসে কাজী নজরুল ইসলাম এক অদ্বিতীয় ব্যক্তিত্ব, যিনি সুরের ভুবনে সমান সহজে মক্কা-মদিনার ভক্তিগীতি থেকে শুরু করে বীরভূমের শাক্ত পীঠস্থানের মেঠো সুরকে একসূত্রে বেঁধেছিলেন। ১৯৩০-এর দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে ১৯৪২ সালে কবি নীরব হয়ে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সময়কালে তিনি শাক্ত ভাবধারার শ্যামাসঙ্গীত রচনায় গভীরভাবে মনোনিবেশ করেন। তাঁর রচিত এই কালজয়ী ভক্তিমূলক গানগুলোকে একত্র ...

বিস্তারিত পড়ুন

Read more

কাজী নজরুল ইসলামের ‘মহুয়ার গান’ (১৯৩০): মেঠো সুর, সাঁওতালি ছন্দ ও উন্মুক্ত প্রকৃতির সুরকাব্য

বাংলা সংগীতের ইতিহাসে ১৯৩০-এর দশকটি ছিল এক অভূতপূর্ব সুর-বিপ্লবের সময়। কাজী নজরুল ইসলাম যখন একদিকে রাগসংগীতের উচ্চমার্গীয় সুর সাধনায় ব্যস্ত, অন্যদিকে বাংলা গজলকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে গিয়েছেন, ঠিক তখনই তিনি দৃষ্টি ফেরালেন মাটির কাছাকাছি থাকা প্রান্তিক মানুষের জীবন ও সুরের দিকে। রাঢ় বাংলার মেঠো হাওয়া, সাঁওতালি মাদলের আকুল করা তান এবং মহুয়া বনের মাতাল করা ...

বিস্তারিত পড়ুন

Read more

কাজী নজরুল ইসলামের ‘বনগীতি'(১৯৩২): প্রেম, প্রকৃতি ও অকৃত্রিম সুরের চিত্রপট

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস লক্ষ্য করলে দেখা যায়, ১৯৩২ সালটি কাজী নজরুল ইসলামের সংগীত ও সাহিত্যজীবনের অন্যতম সর্বাধিক কর্মমুখর ও বৈচিত্র্যময় বছর ছিল। একই বছরে একদিকে যেমন প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর কালজয়ী ইসলামি কাব্য ও গীতি-সংকলন ‘জুলফিকার’, ঠিক অন্যদিকে প্রকাশিত হয় প্রকৃতি ও প্রণয়রসের অনন্য গীতি-সংকলন ‘বনগীতি’ (১৯৩২)। যেখানে ‘জুলফিকার’-এ ছিল আধ্যাত্মিক ভাবগাম্ভীর্য ও আত্মজাগরণের আহ্বান, সেখানে ...

বিস্তারিত পড়ুন

Read more
1 … 65 66 67 68 69

খুঁজুন

জনপ্রিয় লেখা

সর্বশেষ খবর

সর্বশেষ লেখা সরাসরি ই-মেইলে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন!



    সাম্প্রতিক লেখা

    © ২০২৬ আমার নজরুল, GOLN — সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

    Join Us!

    Hey there! Here’s a neat way to recieve our latest posts & updates – just subscribe to our newsletter.

    Error: Contact form not found.

    Zero spam, Unsubscribe at any time.