Editor's Choice

লেখক: কাজী নজরুল ইসলাম

কাজী নজরুল ইসলামের ‘সুরমুকুর’: বাংলা কাব্যসংগীতে বিশুদ্ধ সুর ও স্বরলিপির আলেখ্য

কাজী নজরুল ইসলাম কেবল একজন উর্বর মস্তিষ্কের প্রলয়ঙ্করী কবি বা সুরস্রষ্টাই ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলা সুরের মূল কাঠামো ও তার বিশুদ্ধতা রক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন এক অভিভাবক। ১৯২০ ও ১৯৩০-এর দশকে যখন গ্রামোফোন রেকর্ডের মাধ্যমে তাঁর রচিত গানগুলো দাবানলের মতো সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়ছিল, তখন একটি গুরুতর সমস্যা দেখা দেয়—বিভিন্ন শিল্পী ও শিক্ষক গান ...

বিস্তারিত পড়ুন

Read more

কাজী নজরুল ইসলামের ‘রাঙা জবা’: শ্যামাসঙ্গীত ও শাক্ত ভাবধারার পরম অর্ঘ্য

বাংলা কাব্যসংগীতের ইতিহাসে কাজী নজরুল ইসলাম এক অদ্বিতীয় ব্যক্তিত্ব, যিনি সুরের ভুবনে সমান সহজে মক্কা-মদিনার ভক্তিগীতি থেকে শুরু করে বীরভূমের শাক্ত পীঠস্থানের মেঠো সুরকে একসূত্রে বেঁধেছিলেন। ১৯৩০-এর দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে ১৯৪২ সালে কবি নীরব হয়ে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সময়কালে তিনি শাক্ত ভাবধারার শ্যামাসঙ্গীত রচনায় গভীরভাবে মনোনিবেশ করেন। তাঁর রচিত এই কালজয়ী ভক্তিমূলক গানগুলোকে একত্র ...

বিস্তারিত পড়ুন

Read more

কাজী নজরুল ইসলামের ‘মহুয়ার গান’ (১৯৩০): মেঠো সুর, সাঁওতালি ছন্দ ও উন্মুক্ত প্রকৃতির সুরকাব্য

বাংলা সংগীতের ইতিহাসে ১৯৩০-এর দশকটি ছিল এক অভূতপূর্ব সুর-বিপ্লবের সময়। কাজী নজরুল ইসলাম যখন একদিকে রাগসংগীতের উচ্চমার্গীয় সুর সাধনায় ব্যস্ত, অন্যদিকে বাংলা গজলকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে গিয়েছেন, ঠিক তখনই তিনি দৃষ্টি ফেরালেন মাটির কাছাকাছি থাকা প্রান্তিক মানুষের জীবন ও সুরের দিকে। রাঢ় বাংলার মেঠো হাওয়া, সাঁওতালি মাদলের আকুল করা তান এবং মহুয়া বনের মাতাল করা ...

বিস্তারিত পড়ুন

Read more

কাজী নজরুল ইসলামের ‘বনগীতি'(১৯৩২): প্রেম, প্রকৃতি ও অকৃত্রিম সুরের চিত্রপট

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস লক্ষ্য করলে দেখা যায়, ১৯৩২ সালটি কাজী নজরুল ইসলামের সংগীত ও সাহিত্যজীবনের অন্যতম সর্বাধিক কর্মমুখর ও বৈচিত্র্যময় বছর ছিল। একই বছরে একদিকে যেমন প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর কালজয়ী ইসলামি কাব্য ও গীতি-সংকলন ‘জুলফিকার’, ঠিক অন্যদিকে প্রকাশিত হয় প্রকৃতি ও প্রণয়রসের অনন্য গীতি-সংকলন ‘বনগীতি’ (১৯৩২)। যেখানে ‘জুলফিকার’-এ ছিল আধ্যাত্মিক ভাবগাম্ভীর্য ও আত্মজাগরণের আহ্বান, সেখানে ...

বিস্তারিত পড়ুন

Read more

কাজী নজরুল ইসলামের ‘জুলফিকার’: ইসলামি নবজাগরণ, ভাবগাম্ভীর্য ও সুরের কালজয়ী ফসল

বাংলা সাহিত্য ও সংগীতে কাজী নজরুল ইসলামের আবির্ভাব এক বিচিত্র এবং বিস্ময়কর ঘটনা। তিনি যেমন একদিকে প্রেম, বিরহ ও বিদ্রোহের ঝংকার তুলেছেন, অন্যদিকে বাংলা কাব্যসংগীতের পরিসরকে বিস্তৃত করে তাতে যুক্ত করেছেন ভক্তিভাব ও আধ্যাত্মিকতার এক নতুন মাত্রা। ১৯৩০-এর দশকের সূচনালগ্নে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত ইসলামী কাব্য ও গীতি-সংকলন ‘জুলফিকার’ (১৯৩২) এই যাত্রাপথের এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। গ্রন্থটিতে ...

বিস্তারিত পড়ুন

Read more

কাজী নজরুল ইসলামের ‘চোখের চাতক’: বাংলা সুরকাব্যে বিরহ, গজল ও অকৃত্রিম ব্যাকুলতার দলিল

বাংলা গানের ইতিহাসে বিশ শতকের বিশের দশকটি ছিল এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের সময়। বিশেষ করে ১৯২৬ থেকে ১৯৩০ সালের মধ্যে কাজী নজরুল ইসলাম নিজেকে যেভাবে গান ও সুরের জগতে সমর্পণ করেছিলেন, তা বাংলা কাব্যসংগীতের ব্যাকরণকে চিরতরে বদলে দেয়। এই সময়কালেই এইচএমভি (HMV) ও অন্যান্য গ্রামোফোন কোম্পানির সাথে তাঁর নিবিড় সান্নিধ্য গড়ে ওঠে, আর বাংলা গান লাভ ...

বিস্তারিত পড়ুন

Read more

সাপুড়ে চলচ্চিত্র-কাহিনির ‘সাপুড়ে’ গল্প – কাজী নজরুল ইসলাম

সাপুড়ে কাহিনি   সভ্যজগতের সুসমৃদ্ধ জনপদ হইতে বহুদূরে, কখনও ঘননীল শৈলমালার সানুদেশে, ভীষণ নির্জন, দুর্গম অরণ্যের মধ্যে, কখনও বা তরঙ্গ-ফেনিল বঙ্কিম গিরি-নদীর তীরে, দিগন্ত বিস্তীর্ণ প্রান্তরে, যাযাবর সাপুড়ের দল তাহাদের ক্ষণস্থায়ী নীড় রচনা করে।   এমনই এক ভবঘুরে সাপুড়েদলের ওস্তাদ সে। নাম তাহার জহর। দলের সে বিধাতা, একচ্ছত্র অধিপতি। দলের প্রত্যেকটি লোক তাহাকে ভয় করে যমের ...

বিস্তারিত পড়ুন

Read more

ব্যথার দান গল্পগ্রন্থের ‘পরির কথা’ গল্প – কাজী নজরুল ইসলাম

ময়ূরেশ্বর – বীরভূম সব ছাপিয়ে আমার মনে পড়ছে তাঁরই গাওয়া অনেক আগের একটা গানের সান্ত্বনা, –   অনেক পাওয়ার মাঝে মাঝে কবে কখন একটুখানি পাওয়া সেইটুকুতেই জাগায় দখিন হাওয়া, দিনের পরে দিন চলে যায় যেন তারা পথের স্রোতেই ভাসা, বাহির হতেই তাদের যাওয়া আসা; কখন আসে একটি সকাল সে যেন মোর ঘরেই বাঁধে বাসা, সে ...

বিস্তারিত পড়ুন

Read more

ব্যথার দান গল্পগ্রন্থের ‘ঘুমের ঘোরে’ গল্প – কাজী নজরুল ইসলাম

সাহারা মরূদ্যান-সন্নিহিত ক্যাম্প আফ্রিকা ঘুম ভাঙল। ঘুমের ঘোর তবু ভাঙল না। … নিশি আমার ভোর হলে, সে স্বপ্নও ভাঙল, আর তার সঙ্গে ভাঙল আমার বুক! কিন্তু এই যে তার শাশ্বত চিরন্তন স্মৃতি, তার আর ইতি নেই। না – না, মরুর বুকে ক্ষীণ একটু ঝরনা-ধারার মতো এই অম্লান স্মৃতিটুকুই তো রেখেছে আমার শূন্য বক্ষ স্নিগ্ধ-সান্ত্বনায় ভরে। ...

বিস্তারিত পড়ুন

Read more

ব্যথার দান গল্পগ্রন্থের ‘বাদল বরিষনে’ গল্প – কাজী নজরুল ইসলাম

বৃষ্টির ঝম-ঝমানি শুনতে শুনতে সহসা আমার মনে হল, আমার বেদনা এই বর্ষার সুরে বাঁধা!…   সামনে আমার গভীর বন। সেই বনে ময়ূরে পেখম ধরেছে, মাথার উপর বলাকা উড়ে যাচ্ছে, ফোটা কদম ফুলে কার শিহরণ কাঁটা দিয়ে উঠছে, আর কীসের ঘন-মাতাল-করা সুরভিতে নেশা হয়ে সারা বনের গা টলছে!…   এটা শ্রাবণ মাস, না? – আহা, তাই ...

বিস্তারিত পড়ুন

Read more
1 … 69 70 71 72 73

খুঁজুন

জনপ্রিয় লেখা

সর্বশেষ খবর

সর্বশেষ লেখা সরাসরি ই-মেইলে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন!



    সাম্প্রতিক লেখা

    © ২০২৬ আমার নজরুল, GOLN — সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

    Join Us!

    Hey there! Here’s a neat way to recieve our latest posts & updates – just subscribe to our newsletter.

    Error: Contact form not found.

    Zero spam, Unsubscribe at any time.