Editor's Choice

মরুভাস্কর কাব্যগ্রন্থের ‘পরভৃত’ কবিতা — কাজী নজরুল ইসলাম

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘মরুভাস্কর’ (১৯৫১) কাব্যগ্রন্থের একটি তাৎপর্যপূর্ণ ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটনির্ভর কবিতা হলো ‘পরভৃত’। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জীবনী নিয়ে রচিত এই কাব্যে, তাঁর জন্মের ঠিক পূর্বমুহূর্তে আরব সমাজ তথা গোটা পৃথিবীর যে ভয়াবহ নৈতিক অবক্ষয় ও অন্ধকারময় রূপ ছিল, তা এই কবিতায় অত্যন্ত নিপুণ ও রূপকধর্মী ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে।

কবিতার মূল তথ্য

বিষয়বিবরণ
কবিতার নামপরভৃত
কবির নামকাজী নজরুল ইসলাম
মূল কাব্যগ্রন্থমরুভাস্কর
প্রকাশের বছর১৯৫১ খ্রিষ্টাব্দ
কবিতার ধরনইসলামি, জীবনীমূলক ও ঐতিহাসিক কবিতা (Islamic and Historical Poem)

কবি পরিচিতি ও প্রেক্ষাপট

কাজী নজরুল ইসলামের ইসলামি চেতনার এক অনন্য নিদর্শন হলো ‘মরুভাস্কর’ কাব্যগ্রন্থটি, যা হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনী নিয়ে চারটি সর্গে এবং ১৮টি খণ্ড-কবিতায় রচিত। ‘পরভৃত’ কবিতায় কবি দেখিয়েছেন যে, নতুন সূর্য ওঠার ঠিক আগে রাতের অন্ধকার যেমন সবচেয়ে গাঢ় হয়, তেমনি মহানবীর আগমনের ঠিক আগে তৎকালীন আরবের ‘আইয়ামে জাহিলিয়াত’ বা অন্ধকারের যুগের পাপ, অনাচার ও কুসংস্কার চরম সীমায় পৌঁছেছিল। এই ঘোর অন্ধকারের বুক চিরেই মুক্তির আলো হয়ে পৃথিবীতে মহামানবের আবির্ভাব ঘটে।

পরভৃত – সম্পূর্ণ কবিতা

আঁধার কেন গো ঘনতম হয় উদয়-উষার আগে?
পাতা ঝরে যায় কাননে, যখন ফাগুন-আবেশ লাগে
তরু ও লতার তনুতে তনুতে, কেন কে বলিতে পারে?
সুর বাঁধিবার আগে কেন গুণী ব্যথা হানে বীণা-তারে?
টানিয়া টানিয়া না বাঁধিলে তারে ছিঁড়িয়া যাবার মতো
ফোটে না কি বাণী, না করিলে তারে সদা অঙ্গুলি ক্ষত?
সূর্য ওঠার যবে দেরি নাই, বিহগেরা প্রায় জাগে,
তখন কি চোখে অধিক করিয়া তন্দ্রার ঝিম লাগে?

কেন গো কে জানে, নতুন চন্দ্র উদয়ের আগে হেন
অমাবস্যার আঁধার ঘনায়, গ্রাসিবে বিশ্ব যেন!
পুণ্যের শুভ আলোক পড়িবে যবে শতধারে ফুটে
তার আগে কেন বসুমতী পাপ-পঙ্কিল হয়ে উঠে?
ফুল ফসলের মেলা বসাবার বর্ষা নামার আগে,
কালো হয়ে কেন আসে মেঘ, কেন বজ্রের ধাঁধা লাগে?
এই কি নিয়ম? এই কি নিয়তি? নিখিল-জননী জানে,
সৃষ্টির আগে এই সে অসহ প্রসব-ব্যথার মানে!

এমনই আঁধার ঘনতম হয়ে ঘিরিয়াছিল সেদিন,
উদয়-রবির পানে চেয়েছিল জগৎ তমসা-লীন।
পাপ অনাচার দ্বেষ হিংসার আশী-বিষ-ফণা তলে
ধরণির আশা যেন ক্ষীণজ্যোতি মানিকের মতো জ্বলে!
মানুষের মনে বেঁধেছিল বাসা বনের পশুরা যত,
বন্য বরাহে ভল্লুকে রণ; নখর-দন্ত-ক্ষত
কাঁপিতেছিল এ ধরা অসহায় ভীরু বালিকার সম!

শূন্য-অঙ্কে ক্লেদে ও পঙ্কে পাপে কুৎসিততম
ঘুরিতেছিল এ কুগ্রহ যেন অভিশাপ-ধূমকেতু,
সৃষ্টির মাঝে এ ছিল সকল অকল্যাণের হেতু!
অত্যাচারিত উৎপীড়িতের জমে উঠে আঁখিজল
সাগর হইয়া গ্রাসিল ধরার যেন তিন ভাগ থল!
ধরণি ভগ্ন তরণির প্রায় শূন্য-পাথরতলে
হাবুডুবু খায় বুঝি ডুবে যায়, যত চলে তত টলে।
এশিয়া য়ুরোপ আফ্রিকা – এই পৃথিবীর যত দেশ
যেন নেমেছিল প্রতিযোগিতায় দেখিতে পাপের শেষ!

এই অনাচার মিথ্যা পাপের নিপীড়ন-উৎসবে
মক্কা ছিল গো রাজধানী যেন ‘জজিরাতুল আরবে।’
পাপের বাজারে করিত বেসাতি সমান পুরুষ নারী,
পাপের ভাঁটিতে চলিত গো যেন পিপীলিকা সারি সারি।
বালক বালিকা যুবা ও বৃদ্ধে ছিল নাকো ভেদাভেদ,
চলিত ভীষণ ব্যাভিচার-লীলা নির্লাজ নির্বেদ!

নারী ছিল সেথা ভোগ-উৎসবে জ্বালিতে কামনা-বাতি,
ছিল না বিরাম সে বাতি জ্বলিত সমান দিবস-রাতি।
জন্মিলে মেয়ে পিতা তারে লয়ে ফেলিত অন্ধকূপে
হত্যা করিত, কিংবা মারিত আছাড়ি পাষাণস্তূপে!
হায় রে, যাহারা স্বর্গেমর্ত্যে বাঁধে মিলনের সেতু
বন্যা-ঢল সে কন্যারা ছিল যেন লজ্জারই সেতু!
সুন্দরে লয়ে অসুন্দরের এই লীলা তাণ্ডব
চলিতেছিল, এ দেহ ছিল শুধু শকুন-খাদ্য শব!

দেহ-সরসীর পাঁকের ঊর্ধ্বে সলিল সুনির্মল
ত্যজিয়া তাহারে মেতেছিল পাঁকে বন্য-বরাহ দল!
চরণে দলিত কর্দমে যারে গড়িয়া তুলিল নর
ভাবিত তাহারে সৃষ্টিকর্তা, সেই পরমেশ্বর!

আল্লার ঘর কাবায় করিত হল্লা পিশাচ ভূত,
শিরনি খাইত সেথা তিন শত ষাট সে প্রেতের পুত!
শয়তান ছিল বাদশাহ সেথা, অগণিত পাপ-সেনা,
বিনি সুদে সেথা হতে চলিত গো ব্যভিচার লেনা-দেনা!
সে পাপ-গন্ধে ছিঁড়িয়া যাইত যেন ধরণির স্নায়ু,
ভূমিকম্পে সে মোচড় খাইত যেন শেষ তার আয়ু!
এমনই আঁধার গ্রাসিয়াছে যবে পৃথ্বী নিবিড়তম–
ঊর্ধ্বে উঠিল সংগীত, ‘হল আসার সময় মম!’

ঘন তমসার সূতিকা-আগারে জনমিল নব শশী,
নব আলোকের আভাসে ধরণি উঠিল গো উচ্ছ্বসি।
ছুটিয়া আসিল গ্রহ-তারাদল আকাশ-আঙিনা মাঝে,
মেঘের আঁচলে জড়াইয়া শিশুচাঁদেরে পুলক লাজে
দাঁড়াল বিশ্ব-জননী যেন রে ; পাইয়া সুসংবাদ
চকোর-চকোরী ভিড় করে এল নিতে সুধার প্রসাদ!

ধরণির নীল আঁখি-যুগ যেন সায়রে শালুক সুঁদি
চাঁদেরে না হেরে ভাসিত গো জলে ছিল এতদিন মুদি,
ফুটিল রে তারা অরুণ-আভায় আজ এতদিন পরে,
দুটি চোখে যেন প্রাণের সকল ব্যথা নিবেদন করে!
পুলকে শ্রদ্ধা সম্ভ্রমে ওঠে দুলিয়া দুলিয়া কাবা,
বিশ্ব-বীণায় বাজে আগমনি, ‘মারহবা! মারহবা!!’

Porobhrito – Shompurno Kobita

Andhar keno go ghonotomo hoy uday-ushar age?
Pata jhore jay kanone, jokhon fagun-abesh lage
Toru o lotar tonute tonute, keno ke bolite pare?
Sur bandh ibar age keno guni byatha hane bina-tare?
Taniya taniya na bandh ile tare chhiriya jabar moto
Phote na ki bani, na korile tare shoda anguli khoto?
Surjo othar jobe deri nai, bihogera pray jage,
Tokhon ki chokhe odhik koriya tondrar jhim lage?
Keno go ke jane, notun chondro udayer age hen
Amabashyar andhar ghanay, grasibe bishwo jeno!
Punner shubho alok poribe jobe shotodhare phute
Tar age keno boshumoti pap-pankil hoye uthe?
Phul fosholer mela bosabar borsha namar age,
Kalo hoye keno ashe megh, keno bojrer dhadha lage?
Ei ki niyom? Ei ki niyoti? Nikhil-jononi jane,
Srishtir age ei se oshoh prosob-byathar mane!
Emoni andhar ghonotomo hoye ghiriya chhilo shedin,
Uday-rabir pane cheyechhilo jogot tomosa-lin.
Pap onachar dwesh hinsar ashi-bish-phona tole
Dhoronir asha jeno khinjyoti maniker moto jole!
Manusher mone bendhechhilo basha boner poshura joto,
Bonno borah e bhalluke ron; nokhor-donto-khoto
Kampitechhilo e dhora oshohay bhiru balikar shom!
Shunyo-onke kled e o panke pape kutsitotomo
Ghuritechhilo e kugroho jeno obhishap-dhumoketu,
Srishtir majhe e chhilo shokol okollaner hetu!
Otyach arito utpiriter jome uthe ankhijol
Shagor hoiya grasilo dhorar jeno tin bhag thol!
Dhoroni bhogno toronir pray shunyo-pathorotole
Habudubu khay bujhi dube jay, joto chole toto tole.
Eshia Yurop Afr ika – ei prithibir joto desh
Jeno nem echhilo protijogitay dekhite paper shesh!
Ei onachar mithya paper nipiron-utsobe
Mokka chhilo go rajdhani jeno ‘Jajiratul Arabe.’
Paper bajare korito beshati shoman purush nari,
Paper bhatite cholito go jeno pipilika sari sari.
Balok balika juwa o briddhe chhilo nako bhedabhed,
Cholito bhishon byabhichar-lila nirlojjo nirbed!
Nari chhilo setha bhog-utsobe jalite kamona-bati,
Chhilo na biram se bati jwalito shoman dibosh-rati.
Jonmile meye pita tare loye phelito andhokupe
Hotya korito, kingba marito achhari pashan-stupe!
Hay re, jahara sworge-mortye bandhe miloner setu
Bonya-dhol se konnyara chhilo jeno lojjar-i setu!
Shundore loye oshundorer ei lila tandob
Cholitechhilo, e deho chhilo shudhu shokun-khadyo shob!
Deho-shoroshir panker urdhwe sholil sunirmol
Tyajiya tahare metechhilo panke bonno-borah dol!
Charone dolito kordome jare gor iya tulilo nor
Bhabito tahare srishtikorta, shei poromeshwor!
Allar ghor Kabay korito holla pishach bhut,
Shirni khaito setha tin shot shat se preter put!
Shoytan chhilo badshah setha, ogonito pap-sena,
Bini shude setha hote cholito go byabhichar lena-dena!
Se pap-gondhe chhiriya jaito jeno dhoronir snayu,
Bhum ikompe se mochhor khaito jeno shesh tar ayu!
Emoni andhar grasiyachhe jobe prithbi nibirotom—
Urdhwe uthilo shongit, ‘Hol ashar shomoy mom!’
Ghon tomoshar sutika-agare jonmilo nob shoshi,
Nob aloker abhashe dhoroni uthilo go uchchh oboshi.
Chhutiya ashilo groho-tarad ol akash- angina majhe,
Megher anchole joraiya shishu-chandere pulok laje
Daralo bishwo-jononi jeno re; paiya shushongbad
Chakor-chakori bhir kore el nite sudhar prosad!
Dhoronir nil ankhi-jug jeno sayore shaluk shundi
Chandere na here bhasito go jole chhilo etodin mudi,
Phutil re tara orun-abhay aj etodin pore,
Duti chokhe jeno praner shokol byatha nibedon kore!
Puloke shraddha shombhrome othe duliya duliya Kaba,
Bishwo-binay baje agomoni, ‘Marhaba! Marhaba!!’
কবিতার মূল ভাব ও বিশ্লেষণ
  • প্রকৃতির নিয়মে অন্ধকারের তীব্রতা:
    “আঁধার কেন গো ঘনতম হয় উদয়-উষার আগে? / … / পুণ্যের শুভ আলোক পড়িবে যবে শতধারে ফুটে / তার আগে কেন বসুমতী পাপ-পঙ্কিল হয়ে উঠে?”
    — উষার আলোর ঠিক আগেই যেমন রাতের অন্ধকার সবচেয়ে গাঢ় হয়, কিংবা নতুন চাঁদ ওঠার আগে যেমন অমাবস্যার অন্ধকার নেমে আসে, মানব-ইতিহাসেও তেমনি মহামানবের আগমনের পূর্বে সমাজের পাপ ও অনাচার চরম আকার ধারণ করে। প্রকৃতির এই অমোঘ নিয়মকেই কবি কবিতার শুরুতে রূপক হিসেবে ব্যবহার করেছেন।
  • আইয়ামে জাহিলিয়াত বা অন্ধকারের যুগ:
    “জন্মিলে মেয়ে পিতা তারে লয়ে ফেলিত অন্ধকূপে / হত্যা করিত, কিংবা মারিত আছাড়ি পাষাণস্তূপে!”
    — প্রাক-ইসলামি যুগে আরবের ভয়াবহ সামাজিক অবক্ষয়, নারী নির্যাতন, জীবন্ত কন্যাশিশু হত্যা এবং কাবাঘরে ৩শ ৬০টি মূর্তি পূজার কথা কবি এখানে ঐতিহাসিকভাবে তুলে ধরেছেন। মক্কা হয়ে উঠেছিল সেই পাপাচারের কেন্দ্রবিন্দু।
  • মহামানবের আগমন ও শুভসূচনা:
    “ঘন তমসার সূতিকা-আগারে জনমিল নব শশী, / নব আলোকের আভাসে ধরণি উঠিল গো উচ্ছ্বসি।”
    — দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও চরম পাপের ঘোর অন্ধকারের বুক চিরে মহানবী (সা.)-এর জন্মের মধ্য দিয়ে পৃথিবীতে নতুন আলো ও মুক্তির বার্তা নেমে আসে। তাঁর এই আবির্ভাবে বিশ্বপ্রকৃতিও যেন পুলকিত হয়ে ওঠে এবং কাবাঘর শ্রদ্ধায় দুলে দুলে আগমনি ধ্বনি “মারহাবা” উচ্চারণ করে।
উৎস
কবিতাটির মূল পাঠ, বানানরীতি এবং ঐতিহাসিক তথ্যাবলি কাজী নজরুল ইসলামের প্রামাণ্য রচনাবলী ও ‘মরুভাস্কর’ কাব্যগ্রন্থের প্রকাশনা (১৯৫১) থেকে সতর্কতার সাথে সংগ্রহ ও বিন্যস্ত করা হয়েছে।
Tags :

কাজী নজরুল ইসলাম

<div id="model-response-message-contentr_6711829050503afa" class="markdown markdown-main-panel md-content enable-luminous-fast-follows enable-updated-hr-color tutor-markdown-rendering" dir="ltr" aria-live="polite"> <div>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯–১৯৭৬) এক যুগান্তকারী ও বৈপ্লবিক ব্যক্তিত্ব, যিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি হিসেবে চিরস্মরণীয়। পরাধীন ভারতে শৃঙ্খলিত মানুষের স্বাধিকার আন্দোলন ও গোঁড়ামির বিরুদ্ধে তাঁর ক্ষুরধার লেখনী সাম্যবাদ, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িক মানবতাবোধের এক অনবদ্য দলিল। সাহিত্য ও সংগীতের নানা শাখায় তাঁর অবাধ বিচরণ ছিল বিস্ময়কর; একদিকে যেমন তাঁর রচিত ‘বিদ্রোহী’ বা ‘প্রলয়োল্লাস’-এর মতো কবিতা পরাধীনতার বিরুদ্ধে দ্রোহের আগুন জ্বালিয়েছে, অন্যদিকে তাঁর সৃষ্ট চার সহস্রাধিক গান (নজরুল গীতি) বাংলা কাব্যসংগীতকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। আরবি-ফার্সি শব্দের সুনিপুণ ব্যবহারে বাংলা গজলকে জনপ্রিয় করার পাশাপাশি তিনি সমান মমতায় ইসলামি হামদ-নাত এবং শাক্ত ভাবধারার শ্যামাসঙ্গীত রচনা করে বাংলা সংস্কৃতিতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক কালজয়ী উদাহরণ স্থাপন করেছেন। প্রেম, বিরহ, প্রকৃতি এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামী সুরকে একসূত্রে বেঁধে নজরুল বিংশ শতাব্দীর শিল্প-সাহিত্যকে কেবল সমৃদ্ধই করেননি, বরং আজও তিনি মুক্তিকামী ও বঞ্চিত মানুষের হৃদয়ে ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদার চিরন্তন প্রেরণা হয়ে বেঁচে আছেন।</div> </div>

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

খুঁজুন

জনপ্রিয় লেখা

বিভাগসমূহ

সর্বশেষ খবর

সর্বশেষ লেখা সরাসরি ই-মেইলে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন!



    সাম্প্রতিক লেখা

    © ২০২৬ আমার নজরুল, GOLN — সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত