নিশি ভোর হল জাগিয়া | Nishi vhor holo jagiya | সকল নজরুলগীতি ১০টি ভাগে বিভাজ্য। এগুলো হলোঃ ভক্তিমূলক গান, প্রণয়গীতি, প্রকৃতি বন্দনা, দেশাত্মবোধক গান, রাগপ্রধান গান, হাসির গান, ব্যাঙ্গাত্মক গান, সমবেত সঙ্গীত, রণ সঙ্গীত এবং, বিদেশীসুরাশ্রিত গান।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা

কাজী নজরুল ইসলাম [ Kazi nazrul islam ]
নিশি ভোর হল জাগিয়া গানের কথা:
নিশি ভোর হলো জাগিয়া, পরান-পিয়া কাঁদে ‘পিউ কাহাঁ’ পাপিয়া, পরান-পিয়া।। ভুলি’ বুলবুলি-সোহাগে কত গুল্বদনী জাগে রাতি গুল্সনে যাপিয়া, পরান-পিয়া।। জেগে রয়, জাগার সাথী দূরে চাঁদ, শিয়রে বাতি কাঁদি ফুল-শয়ন পাতিয়া, পরান-পিয়া।। গেয়ে গান চেয়ে কাহারে জেগে র’স কবি এপারে দিলি দান কারে এ হিয়া, পরান-পিয়া।।

কাজী নজরুল ইসলাম [ Kazi nazrul islam ]
নিশি ভোর হল জাগিয়া স্বরলিপি:
কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬; ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ – ১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) বিংশ শতাব্দীর প্রধান বাঙালি কবি ও সঙ্গীতকার। তার মাত্র ২৩ বৎসরের সাহিত্যিক জীবনে সৃষ্টির যে প্রাচুর্য তা তুলনারহিত। সাহিত্যের নানা শাখায় বিচরণ করলেও তার প্রধান পরিচয় তিনি কবি।
তার জীবন শুরু হয়েছিল অকিঞ্চিতকর পরিবেশে। স্কুলের গণ্ডি পার হওয়ার আগেই ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে তিনি ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন। মুসলিম পরিবারের সন্তান এবং শৈশবে ইসলামী শিক্ষায় দীক্ষিত হয়েও তিনি বড় হয়েছিলেন একটি ধর্মনিরপেক্ষ সত্তা নিয়ে। একই সঙ্গে তার মধ্যে বিকশিত হয়েছিল একটি বিদ্রোহী সত্তা। ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দে ব্রিটিশ সরকার তাকে রাজন্যদ্রোহিতার অপরাধে কারাবন্দী করেছিল। তিনি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীন অবিভক্ত ভারতের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হয়েছিলেন।






