বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘দোলনচাঁপা’ (১৯২৩) কাব্যগ্রন্থের একটি অত্যন্ত মিষ্টি, রোমান্টিক ও সমর্পণমূলক কবিতা হলো ‘কবি-রাণী’। এই কবিতায় কবি তাঁর নিজের কবিসত্তার জন্য সম্পূর্ণভাবে তাঁর প্রেমিকার ভালোবাসাকে কৃতিত্ব দিয়েছেন।
কবিতার মূল তথ্য:
| বিষয় | বিবরণ |
| কবিতার নাম | কবি-রাণী |
| কবির নাম | কাজী নজরুল ইসলাম |
| মূল কাব্যগ্রন্থ | দোলনচাঁপা |
| প্রকাশের বছর | ১৯২৩ (আশ্বিন ১৩৩০ বঙ্গাব্দ) |
| কবিতার ধরন | রোমান্টিক প্রেমের কবিতা (Romantic Love Poem) |
কবিতার মূল ভাব ও বিশ্লেষণ:
এই কবিতায় প্রেম ও কাব্য সৃষ্টির এক চমৎকার মেলবন্ধন দেখানো হয়েছে। কবি অকপটে স্বীকার করেছেন যে, তাঁর ভেতরে যে কবিসত্তা বাস করে, তা কেবলই তাঁর প্রেমিকার ভালোবাসার দান। প্রেমিকা তাঁকে ভালোবাসে বলেই যেন পুরো প্রকৃতি—আকাশ, বাতাস, সকালের আলো—সবাই তাঁকে আপন করে নিয়েছে। তাঁর কাব্যের সমস্ত আয়োজন এবং জয়ের মালা মূলত তাঁর প্রেমিকা অর্থাৎ ‘কবি-রাণী’রই প্রাপ্য।
কবি-রাণী কবিতা (পুরো কবিতা):
তুমি আমায় ভালোবাসো তাই তো আমি কবি।
আমার এ রূপ-সে যে তোমায় ভালোবাসার ছবি॥
আপন জেনে হাত বাড়ালো-
আকাশ বাতাস প্রভাত-আলো,
বিদায়-বেলার সন্ধ্যা-তারা
পুবের অরুণ রবি,-
তুমি ভালোবাস ব’লে ভালোবাসে সবি?
আমার আমি লুকিয়েছিল তোমার ভালোবাসায়,
আমার আশা বাইরে এল তোমার হঠাৎ আসায়।
তুমিই আমার মাঝে আসি
অসিতে মোর বাজাও বাঁশি,
আমার পূজার যা আয়োজন
তোমার প্রাণের হবি।
আমার বাণী জয়মাল্য, রাণি! তোমার সবই।
তুমি আমায় ভালোবাস তাই তো আমি কবি।
আমার এ রূপ-সে যে তোমার ভালোবাসার ছবি।


















![অয়ি চঞ্চল-লীলায়িত দেহা [ Oye chonchol lilayit deha ] | গানের মালা | নজরুল সঙ্গীত | কাজী নজরুল ইসলাম অয়ি চঞ্চল-লীলায়িত দেহা [ Oye chonchol lilayit deha ] | গানের মালা | নজরুল সঙ্গীত | কাজী নজরুল ইসলাম](/wp-content/uploads/2024/08/অয়ি-চঞ্চল-লীলায়িত-দেহা-1024x655.jpg)


