কবি হিসাবে কাজী নজরুলের মূল্যায়ন । নজরুলের ভাবনা

কবি হিসাবে কাজী নজরুলের মূল্যায়ন । নজরুলের ভাবনা

কবি হিসাবে কাজী নজরুলের মূল্যায়ন : বাংলা সাহিত্যের চারদিগন্ত নিয়ে পর্যালোচনা করলে দেখা যায় কাজী নজরুল ইসলাম একটি যুগান্তকারী অধ্যায়। যার রচনায় স্থান পেয়েছে কাব্য, সঙ্গীত, গল্প, প্রবন্ধ, নাটক ইত্যাদি। বিদ্রোহী কবি হিসাবেই নজরুলের পরিচয়। যদিও কৰি হিসাবে নজরুলের রচনায় রয়েছে বিভিন্নতা তবুও তাঁর মধ্যে বিদ্রোহী কবি সত্ত্বার, সুরটিই প্রাধান্যতায় ভাস্বর।     কবি হিসাবে কাজী …

বিস্তারিত পড়ুন

তুমি কেন নজরুলসঙ্গীত শিখছ- যুক্তি প্রদর্শন কর । নজরুলের ভাবনা

তুমি কেন নজরুলসঙ্গীত শিখছ- যুক্তি প্রদর্শন কর । নজরুলের ভাবনা

তুমি কেন নজরুলসঙ্গীত শিখছ- যুক্তি প্রদর্শন কর : বাংলা গানের বিবর্তনে নজরুলসঙ্গীত একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। কারণ বাংলা সঙ্গীতের এমন কোনো ধারা নেই যেখানে নজরুল বিচরণ করেননি। যে-সব কারণে আমি নজরুলসঙ্গীত শিখব বলে মন স্থির করেছি।     তুমি কেন নজরুলসঙ্গীত শিখছ- যুক্তি প্রদর্শন কর । নজরুলের ভাবনা (১) বিচিত্র পর্যায়ের গান- যেমন রাগপ্রধান, ধ্রুপদ, ধামার, ঠুমরী, …

বিস্তারিত পড়ুন

নজরুল সঙ্গীত ও কমল দাশগুপ্ত । নজরুলের ভাবনা

নজরুল সঙ্গীত ও কমল দাশগুপ্ত । নজরুলের ভাবনা

নজরুল সঙ্গীত ও কমল দাশগুপ্ত : ১৯২২ সালে কমল দাশ কোলকাতার ভবানীপুরে এক সম্ভ্রান্ত সঙ্গীত পরিবারের জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বড় ভাই বিমল দাস গুপ্তের কাছে শাস্ত্রীয় সঙ্গীত, দিলীপ কুমার রায়ের কাছে অতুল প্রসাদ, রবীন্দ্র ও ডি এল, রায়ের গান এবং বাবার কাছে প্রভাতী সঙ্গীত শেখেন। ১১/১২ বৎসর বয়সেই কমল দাশ মাস্টার কমল নামে পরিচিত লাভ …

বিস্তারিত পড়ুন

একটি উদ্দীপনামূলক গানের ভাবার্থ । নজরুলের ভাবনা

একটি উদ্দীপনামূলক গানের ভাবার্থ । নজরুলের ভাবনা

একটি উদ্দীপনামূলক গানের ভাবার্থ : নজরুলের গানের সংখ্যা চার হাজারের অধিক। নজরুলের গান নজরুল সঙ্গীত নামে পরিচিত। ১৯৩৮ সালে কাজী নজরুল ইসলাম কলকাতা বেতার কেন্দ্রের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হন। সেখানে তিনটি অনুষ্ঠান যথাক্রমে ‘হারামণি’, ‘নবরাগমালিকা’ ও ‘গীতিবিচিত্রা’র জন্য তাকে প্রচুর গান লিখতে হতো। ‘হারামণি’ অনুষ্ঠানটি কলকাতা বেতার কেন্দ্রে প্রতি মাসে একবার করে প্রচারিত হতো যেখানে …

বিস্তারিত পড়ুন

একটি দেশাত্মবোধক গানের ভাবার্থ । নজরুলের ভাবনা

একটি দেশাত্মবোধক গানের ভাবার্থ । নজরুলের ভাবনা

একটি দেশাত্মবোধক গানের ভাবার্থ : নজরুলের গানের সংখ্যা চার হাজারের অধিক। নজরুলের গান নজরুল সঙ্গীত নামে পরিচিত। ১৯৩৮ সালে কাজী নজরুল ইসলাম কলকাতা বেতার কেন্দ্রের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হন। সেখানে তিনটি অনুষ্ঠান যথাক্রমে ‘হারামণি’, ‘নবরাগমালিকা’ ও ‘গীতিবিচিত্রা’র জন্য তাকে প্রচুর গান লিখতে হতো। ‘হারামণি’ অনুষ্ঠানটি কলকাতা বেতার কেন্দ্রে প্রতি মাসে একবার করে প্রচারিত হতো যেখানে …

বিস্তারিত পড়ুন

নজরুল সঙ্গীত চর্চায় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রয়োজনীয়তা । নজরুলের ভাবনা

নজরুল সঙ্গীত চর্চায় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রয়োজনীয়তা । নজরুলের ভাবনা

নজরুল সঙ্গীত চর্চায় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রয়োজনীয়তা : কাজী নজরুলের সব ধরনের গানেই প্রায় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায় । শৈশব হতেই তার মধ্যে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের আবেশ অবস্থান করেছিল। কাজী নজরুল দীর্ঘদিন ওস্তাদ কাদের বক্স এবং ঠুমরীর প্রতিথযশা শিল্পী ও ওস্তাদ জমির উদ্দীন খার নিকট তালিম নেন। স্বাভাবিকভাবে কবির মনে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের আকর দৃঢ়ভাবে রস বিস্তার …

বিস্তারিত পড়ুন

নজরুলের রাগপ্রধান গান । নজরুলের ভাবনা

নজরুলের রাগপ্রধান গান । নজরুলের ভাবনা

রাগপ্রধান গান হলো রাগাশ্রীয় কাব্যগীতি; যা কাব্যসঙ্গীতের মতো ঐশ্বর্যমণ্ডিত ও গীতিময়। রাগপ্রধানের সুর মূলত এক বা একাধিক রাগের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের আদলে নজরুলের গানের বৈচিত্র্য অনেক। পরিশিলিত ধারার মধ্যে রয়েছে ধ্রুপদ, ধামার, খেয়াল, ঠুমরী, টপ্পা। কাজী নজরুল নিজে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের বিশেষ পারদর্শী ছিলেন। তাইতো তার রেখাপাত ঘটেছে তার রচিত সঙ্গীতে।   …

বিস্তারিত পড়ুন

কাজী নজরুলের কীর্তন । নজরুলের ভাবনা

কাজী নজরুলের কীর্তন । নজরুলের ভাবনা

কাজী নজরুলের কীর্তন : শ্রীচৈতন্যদেবকে কীর্তন গানের প্রবর্তক বলা হয়। যে গানের বিষয়বস্তুতে রয়েছে সনাতন ধর্ম তথা রাধাকৃষ্ণ, রামসীতা, লক্ষ্মী-নারায়ণ, চৈতন্যদেব-বিষ্ণুপ্রিয়া- রামায়ণ ও মহাভারতের বিবিধ প্রসঙ্গ। বাংলা কীর্তনের ইতিহাস অনেক দীর্ঘ, আমি শুধু নজরুলের কীর্তনকে বিশ্লেষণ করবার চেষ্টা করেছি মাত্র। ছোটবেলা হতেই নজরুলের মধ্যে সুফি বাউল ও বিভিন্ন ধর্মের আবেশ লক্ষ করা যায়। তাই নজরুল নিজেকে …

বিস্তারিত পড়ুন

নজরুলের কাব্যগীতি । নজরুলের ভাবনা

নজরুলের কাব্যগীতি । নজরুলের ভাবনা

নজরুলের কাব্যগীতি : বাংলা কাব্যগীতির ইতিহাস দীর্ঘদিনের। যে গানের বাণী ও সুর সমপ্রধান ভাস্বর তাকে কাব্যগীতি বলে। অর্থাৎ বাণীকে খর্ব করে সুর নয় এবং সুরকে খর্ব করে কথা নয়। কাব্যগীতিতে মূলত যে সকল সাঙ্গীতিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে নারুলের কাব্যগীতিতে তা সার্বিকভাবে বিদ্যমান। কাব্যগীতিকে অনেকে প্রেমগীতিও বলে থাকেন।     নজরুলের কাব্যগীতি । নজরুলের ভাবনা নজরুলের আধুনিক পর্যায়ের …

বিস্তারিত পড়ুন

কোলকাতা বেতার কেন্দ্র এবং নজরুল । নজরুলের ভাবনা

কোলকাতা বেতার কেন্দ্র এবং নজরুল । নজরুলের ভাবনা

কোলকাতা বেতার কেন্দ্র এবং নজরুল: ১৯৩৮ সালে কাজী নজরুল ইসলাম কলকাতা বেতার কেন্দ্রের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হন। সেখানে তিনটি অনুষ্ঠান যথাক্রমে ‘হারামণি’, ‘নবরাগ মালিকা’র জন্য তাকে প্রচুর গান লিখতে হতো। ১৯৪০ সালে কোলকাতা বেতার কেন্দ্র নজরুলকে গীতরচনা ও সুরসংযোজনের দায়িত্ব দেন।     কোলকাতা বেতার কেন্দ্র এবং নজরুল । নজরুলের ভাবনা এ সময় কোলকাতা বেতার …

বিস্তারিত পড়ুন