বসিয়া বিজনে কেন একা মনে | Boshiya bijone ken eka mone | বিখ্যাত নজরুলগীতি সংকলন বুলবুল ১৫ নভেম্বর ১৯২৮ (আশ্বিন, ১৩৩৫) তারিখে (১ম সংস্করণ) প্রকাশিত হয়। প্রকাশক ডি এম লাইব্রেরি, কলকাতা। সুরশিল্পী দিলীপ কুমার রায়কে এই গ্রন্থটি উৎসর্গ করেছিলেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল। সাধারণ সংস্করণ ও রাজ সংস্করণের মূল্য ছিল যথাক্রমে এক টাকা ও পাঁচ সিকা। গ্রন্থের দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয় ১৩৩৫ বঙ্গাব্দের চৈত্র মাসে। ৪৯টি গান ছিল এই সংস্করণে।
রাগঃ ইমন মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

বসিয়া বিজনে কেন একা মনে গানের কথাঃ
বসিয়া বিজনে কেন একা মনে
পানিয়া ভরণে চলো লো গোরী
চলো জলে চলো কাঁদে বনতল
ডাকে ছলছল জল-লহরি।।
দিবা চ’লে যায় বলাকা-পাখায়
বিহগের বুকে বিহগী লুকায়।
কেঁদে চখা-চাখি মাগিছে বিদায়
বারোয়াঁর সুরে ঝুরে বাঁশরি।।
ওগো বে-দরদি ও রাঙা পায়ে
মালা হয়ে কে গো গেল জড়ায়ে।
তব সাথে কবি পড়িল দায়ে
পায়ে রাখি তারে না গলে পরি।।

তবে তিনি প্রায়শ তাৎক্ষণিকভাবে লিখতেন; একারণে অনুমান করা হয় প্রয়োজনীয় সংরক্ষণের অভাবে বহু গান হারিয়ে গেছে। তার কিছু কালজয়ী গানগুলো হলো ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’, ‘চল চল চল’, ‘ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ’ ইত্যাদি।নজরুলের আবির্ভাব ও কর্মকাল রবীন্দ্রযুগের অন্তর্ভূত। তবু নজরুল রবীন্দ্রনাথের প্রভাব বলয়ের সম্পূর্ণ বাইরে থেকে গীত রচনা করেছেন ও সুরারোপ করেছেন। তিনি বাংলা গানে বিচিত্র সুরের উৎস। রবীন্দ্রনাথের মতো তিনিও একই সঙ্গে গীতিকার, সুরকার ও সুগায়ক।

