না-ই পরিলে নোটন-খোঁপায় [ Na e porile noton khopay ]-গানের ‘মালা গ্রন্থটি ৯৫ টি সংগীত সমৃদ্ধ গ্রন্থটি ১৯৩৪ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ অক্টোবর (কার্তিক ১৩৪১) প্রকাশ করেন গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় অ্যান্ড সন্স। গ্রন্থটি উৎসর্গপত্রে লেখা ছিল: “পরম স্নেহভাজন শ্রীমান অনিলকুমার দাস কল্যাণবরেষুকে”। ৪+৯৬ পৃষ্ঠার গ্রন্থের মূল্য ছিল দেড় টাকা।
রাগঃ বেহাগ-খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা

না-ই পরিলে নোটন-খোঁপায় গানের কথা :
না-ই পরিলে নোটন-খোঁপায় ঝুমকো জবার ফুল (রানী)
এমনি এসো (ওগো) লুটিয়ে পিঠে আকুল এলোচুল।।
সজ্জা-বিহীন লজ্জা নিয়ে
এমনি তুমি এসো প্রিয়ে
গোলাপ ফুলের রঙ মাখাতে হয় যদি হোক ভুল।।
গৌর দেহে নাই জড়ালে গৌরী চাঁপার শাড়ি
ওগা ভূষণ পরে না-ই বা দিলে রূপের সাথে আড়ি।
যেমন আছ তেমনি এসো
নয়ন তুলে একটু হেসো
সেই খুশিতে উঠবে দুলে আমার হৃদয় কুল।।

না-ই পরিলে নোটন-খোঁপায় স্বরলিপি –


নজরুলের গানের সংখ্যা চার হাজারের অধিক। নজরুলের গান নজরুল ‘সঙ্গীত নামে পরিচিত।
১৯৩৮ সালে কাজী নজরুল’ ইসলাম কলকাতা বেতার কেন্দ্রের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হন। সেখানে তিনটি অনুষ্ঠান যথাক্রমে ‘হারামণি’, ‘নবরাগমালিকা’ ও ‘গীতিবিচিত্রা’র জন্য তাকে প্রচুর গান লিখতে হতো। ‘হারামণি’ অনুষ্ঠানটি কলকাতা বেতার কেন্দ্রে প্রতি মাসে একবার করে প্রচারিত হতো যেখানে তিনি অপেক্ষাকৃত কম প্রচলিত ও বিলুপ্তপ্রায় রাগরাগিণী নিয়ে গান পরিবেশন করতেন। উল্লেখ্য, এই অনুষ্ঠানের শুরুতে তিনি কোনো একটি লুপ্তপ্রায় রাগের পরিচিতি দিয়ে সেই রাগের সুরে তার নিজের লেখা নতুন গান পরিবেশন করতেন।

কাজী নজরুল ‘ইসলামকে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জাতীয় কবির মর্যাদা দেওয়া হয়।তার রচিত “চল্ চল্ চল্, ঊর্ধগগনে বাজে মাদল” বাংলাদেশের রণসঙ্গীত হিসেবে গৃহীত। নজরুলের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী প্রতি বছর বিশেষভাবে উদযাপিত হয়। নজরুলের স্মৃতিবিজড়িত ত্রিশালে (বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলায়) ২০০৫ সালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল’ ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় নামক সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।










![অয়ি চঞ্চল-লীলায়িত দেহা [ Oye chonchol lilayit deha ] | গানের মালা | নজরুল সঙ্গীত | কাজী নজরুল ইসলাম 9 অয়ি চঞ্চল-লীলায়িত দেহা [ Oye chonchol lilayit deha ] | গানের মালা | নজরুল সঙ্গীত | কাজী নজরুল ইসলাম](https://amarnazrul.com/wp-content/uploads/2024/08/অয়ি-চঞ্চল-লীলায়িত-দেহা-150x150.jpg)












