গিন্নির ভাই গান গাহে | Ginnir vai gaan gahe | গীতি শতদল | নজরুল সঙ্গীত | কাজী নজরুল ইসলাম

গিন্নির ভাই গান গাহে | Ginnir vai gaan gahe | গীতি শতদল গ্রন্থটির প্রকাশক ছিলেন ডি এম লাইব্রেরি। ৮+১০৪ পৃষ্ঠার বইটির মূল্য ছিল দেড় টাকা। প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয় ১৯৩৪ সালের এপ্রিলে (১৩৪১ বঙ্গাব্দের বৈশাখ)। নজরুল ইসলাম এই গ্রন্থের প্রারম্ভে ‘দুটি কথা’ শীর্ষক ভূমিকায় লেখেন “গীতিশতদলে’র সমস্ত গানগুলিই গ্রামোফোন ও স্বদেশী মেগাফোন কোম্পানীর রেকর্ড়ে রেখাবদ্ধ হইয়া গিয়াছে। আমার বহু গীতি-শিল্পী বন্ধুর কল্যাণে ‘রেডিও’ প্রভৃতিতে গীত হওয়ায় এই গানগুলি ইতোমধ্যে জনপ্রিয় হইয়া উঠিয়াছে। এই অবসরে তাঁহাদের সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করিতেছি।

 

গিন্নির ভাই গান গাহে

 

কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬; ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ – ১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) বিংশ শতাব্দীর প্রধান বাঙালি কবি ও সঙ্গীতকার। তার মাত্র ২৩ বৎসরের সাহিত্যিক জীবনে সৃষ্টির যে প্রাচুর্য তা তুলনারহিত। সাহিত্যের নানা শাখায় বিচরণ করলেও তার প্রধান পরিচয় তিনি কবি।তার জীবন শুরু হয়েছিল অকিঞ্চিতকর পরিবেশে। স্কুলের গণ্ডি পার হওয়ার আগেই ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে তিনি ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন।

শালানুসন্ধিৎসু

 

গিন্নির ভাই গান গাহে | Ginnir vai gaan gahe | গীতি শতদল | নজরুল সঙ্গীত | কাজী নজরুল ইসলাম

নজরুলগীতি বা নজরুল ‘সঙ্গীত বাংলাভাষার অন্যতম প্রধান কবি ও সংগীতজ্ঞ কাজী নজরুল ‘ইসলাম লিখিত গান। তার সীমিত কর্মজীবনে তিনি ৩০০০-এরও বেশি গান রচনা করেছেন। এসকল গানের বড় একটি অংশ তারই সুরারোপিত। তার রচিত চল্‌ চল্‌ চল্‌, ঊর্ধ্বগগণে বাজে মাদল বাংলাদেশের রণসংগীত।তার কিছু গান জীবদ্দশায় গ্রন্থাকারে সংকলিত হয়েছিল যার মধ্যে রয়েছে গানের মালা, গুল বাগিচা, গীতি শতদল, বুলবুল ইত্যাদি। পরবর্তীকালে আরো গান সংগ্রন্থিত হয়েছে।

গিন্নির ভাই গান গাহে গানের কথাঃ

গিন্নির ভাই পালিয়ে গেছে গিন্নি চটে কাঁই।
আমার ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে কাঁদিছেন সদাই॥
কোথায় শালা, শালা কোথায়, কেবল ভদ্রলোক,
ডাকতে গিয়ে জিভ কেটে ভাই ফিরিয়ে নি চোখ!
ভ্যালা ফ্যাসাদ হল দাদা, শালায় কোথায় পাই॥
খুঁজতে খুঁজতে দেখতে পেলুম সম্মুখে আট-শালা,
আটশালাতে মোর শালা নাই বসেছে পাঠ-শালা,
গো-শালাতে গোরু বাঁধা, আমার শালা নাই॥
খুঁজতে গেলুম শহর, দেখি শালার ছড়াছড়ি;
পান-শালাতে পান করে যায় মাতাল গড়াগড়ি,
ধর্ম-শালা অতিথ-শালা শালার অন্ত নাই॥
হাতি-শালা ঘোড়া-শালা রাজার ডাইনে বাঁয়ে,
হঠাৎ দেখি যাচ্চে বাবু দো-শালা গায়ে,
দো-শালা তো চাইনে বাবা, এক শালাকে চাই॥
দশ-শালা ব্যবস্থা ঝুলে গরিব চাষার ভাগ্যে,
দিয়া-শালাই পেয়ে ভাবি, শালাই পেলাম, যাকগে!
চাইনু শালা, মুদি দিল গরম মশালাই॥
ঢেঁকি-শালায় ঢেঁকি শুয়ে পাক-শালাতে ছাই,
হায় শালায় কোথায় পাই॥

 

google news logo
আমাদেরকে গুগল নিউজে ফলো করুন

Leave a Comment