বিজন গোঠে কে রাখাল | Bijon gothe ke rakhal | নজরুলগীতি বা নজরুল সঙ্গীত বাংলাভাষার অন্যতম প্রধান কবি ও সংগীতজ্ঞ কাজী ‘নজরুল ইসলাম লিখিত গান। তার সীমিত কর্মজীবনে তিনি ৩০০০-এরও বেশি গান রচনা করেছেন। এসকল গানের বড় একটি অংশ তারই সুরারোপিত। তার রচিত চল্ চল্ চল্, ঊর্ধ্বগগণে বাজে মাদল বাংলাদেশের রণসংগীত।
তালঃ কাহার্বা

বিজন গোঠে কে রাখাল গানের কথাঃ
বিজন গোঠে কে রাখাল বাজায় বেণু
আমি সুর শুনে তা’র বাউল হয়ে এনু (গো)।।
ঐ সুরে পড়ে মনে কোন সুদুর বৃন্দাবনে
যেত নন্দ-দুলাল ব্রজ-গোপাল বাজিয়ে বেণু বনে
পথে লুটতো কেঁদে গোপাবালা, ভূরতো তৃণ-ধেণু গো
কেঁদে ভুলতো তৃণ-ধেণু।।
কবে নদীয়াতে গোরা
ও ভাই ডেকেছিল এমনি সুরে এমনি পাগল-করা।
কেঁদে ডাকতো বৃথাই শচীমাতা, সাধতো বসুন্ধরা,
প্রেমে গ’লে যত নর-নারী যাচতো পদ-বেণু গো
তারা যাচতো পদ-রেণু।।

কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬; ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ – ১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) বিংশ শতাব্দীর প্রধান বাঙালি কবি ও সঙ্গীতকার। তার মাত্র ২৩ বৎসরের সাহিত্যিক জীবনে সৃষ্টির যে প্রাচুর্য তা তুলনারহিত। সাহিত্যের নানা শাখায় বিচরণ করলেও তার প্রধান পরিচয় তিনি কবি।তার জীবন শুরু হয়েছিল অকিঞ্চিতকর পরিবেশে। স্কুলের গণ্ডি পার হওয়ার আগেই ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে তিনি ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন।
মুসলিম পরিবারের সন্তান এবং শৈশবে ইসলামী শিক্ষায় দীক্ষিত হয়েও তিনি বড় হয়েছিলেন একটি ধর্মনিরপেক্ষ সত্তা নিয়ে। একই সঙ্গে তার মধ্যে বিকশিত হয়েছিল একটি বিদ্রোহী সত্তা।

