কবি নজরুল ইসলাম কেমন করে রুটির দোকানে কাজ পেলেন । নজরুলের ভাবনা

কবি নজরুল ইসলাম কেমন করে রুটির দোকানে কাজ পেলেনঃ লেটোনল শেষ করে কবি ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে মাথরুন হাইস্কুলে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হন। অল্প সময়ের মধ্যেই মাথরুণ স্কুলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিন্ন হলো- তিনি স্কুল ভাগ করলেন। এর জন্যে প্রধানত দায়ী আর্থিক অনটন, তাঁর স্কুল পালান ভবঘুরে মনও হয়তো এতে কিছুটা ইন্ধন যুগিয়ে থাকবে।

 

কবি নজরুল ইসলাম কেমন করে রুটির দোকানে কাজ পেলেন । নজরুলের ভাবনা

 

কবি নজরুল ইসলাম কেমন করে রুটির দোকানে কাজ পেলেন । নজরুলের ভাবনা

এর পর এঁকে আমরা বাসুদেবের শখের কবিগানের আসরে ঢোলক বাজিয়ে গান গাইতে দেখি, কখনো তিনি পালাগান রচনায় মগ্ন, কখনো দেখি স্বরচিত সঙ্গীতে সুরারোপে মশগুল ভবিষ্যতের স্বনামধন্য সুরকারের শুভ আভির্বার লগ্নের প্রজন্যটি এভাবেই সূচিত হয়েছিল। নজরুল-জীবনে, নানান বিষয়ে নানান উত্থান-পতন ঘটেছে ঠিকই কিন্তু সঙ্গীত-চর্চার ধারাবাহিকতায় বিশেষ ছেদ পড়েনি। দুঃখ-কষ্টের জীবনেও সঙ্গীতের প্রতি আকর্ষণ সমানভাবে বজায় ছিল।

 

কবি নজরুল ইসলাম কেমন করে রুটির দোকানে কাজ পেলেন

 

এক শীতের রাতে এই শখের কবিগানের আসরে কবির গান শুনে মুগ্ধ হন এক বাঙালি গার্ড সাহেব এবং তাঁকে বাবুর্চির কাজ দিয়ে নিয়ে আসেন প্রসাদপুরের বাংলোয়। কিন্তু নানান কারণে অল্প কিছু দিনের মধ্যেই এই মদ্যপ গার্ড সাহেবের দেওয়া চাকরি ছেড়ে কবি চলে আসেন আসানসোলে।

 

google news logo
আমাদেরকে গুগল নিউজে ফলো করুন

 

 

এখানে তিনি এম বখশের চা- রুটির দোকানে একটা চাকরি (১৩১৭ সাল) পেলেন। মাইনে মাসে এক টাকা। আহার ফ্রি। কিন্তু থাকার জায়গা ছিল না। পাশেই একটি তিন তলা বাড়ির সিঁড়ির নীচে সারাদিনের পরিশ্রান্ত, ক্লান্ত নজরুল ঘুমিয়ে পড়তেন। এক পুলিশ সাব ইন্সপেক্টর কাজী রফিজউল্লাহ্ থাকতেন ঐ বাড়িতে। তাঁর সঙ্গে নজরুলের পরিচয় ঘটে এবং পরে তিনি মাসিক পাঁচ টাকায় কবিকে গৃহভৃত্যের কাজে নিযুক্ত করেন। এখানে কবি ছিলেন তিন মাস।

Leave a Comment