নজরুল ইনস্টিটিউট উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় নজরুল বিষয়ক ১৩টি গবেষনা বৃত্তি বিষয়ে যারা জানতে চেয়েছেন, তাদের জন্য বিস্তারিত দেয়া হল।

নজরুল ইনস্টিটিউট উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় নজরুল বিষয়ক ১৩টি গবেষনা বৃত্তি
বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের সঙ্গে নজরুলের প্রথম সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। বাংলা ইতিহাসে তিনি “বিদ্রোহী কবি” এবং আধুনিক বাংলা গানের জগতে “বুলবুল” নামে খ্যাত। ১৯৭২ সালের ২৪ মে অসুস্থ কবি কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
১৯৮৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে নজরুলের শেষ জীবনের সাক্ষী ওই ‘কবিভবন’-এই প্রতিষ্ঠা করা হয় নজরুল ইন্সটিটিউট। কাজী নজরুল ইসলামের অমর স্মৃতিরক্ষা, তাঁর জীবন, সাহিত্য-সঙ্গীত ও সামগ্রিক অবদান সম্পর্কে গবেষণা পরিচালনা, রচনাবলী সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রকাশনা ও প্রচার এবং তাঁর ভাবমূর্তি দেশ-বিদেশে উজ্জ্বলভাবে তুলে ধরার জন্যই জন্ম এ প্রতিষ্ঠানের।
প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নজরুল ইন্সটিটিউট বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে। এর ফলে এখান থেকে পরিচালিত হয়ে নজরুল গবেষণা; প্রকাশিত হয় বিভিন্ন গবেষণাগ্রন্থ, দুর্লভ সঙ্গীতের সিডি, তথ্যচিত্র, পত্র-পত্রিকা, স্মরণিকা, বুলেটিন, বর্ষপঞ্জি, পোস্টার, উপহার সামগ্রী; সংগৃহীত হয়েছে নজরুল-বিষয়ক দুর্লভ উপকরণ এবং তথ্য ও উপাত্ত।

ইতোমধ্যেই নজরুল ইন্সটিটিউট কবির জীবন, সাহিত্য, সঙ্গীত ও সামগ্রিক অবদান সম্পর্কে তিনশোর বেশি বই প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে নজরুলের কাব্যগ্রন্থ, সঙ্গীত, উপন্যাস, প্রবন্ধ, ছোটগল্পসহ অন্যান্য নজরুল বিষয়ক গবেষণাগ্রন্থ এবং বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নজরুল সতীর্থদের নজরুল প্রসঙ্গে দেওয়া সাক্ষাৎকার সম্বলিত গ্রন্থ, নজরুল সঙ্গীত স্বরলিপি, পত্রিকা, জার্নাল, বক্তৃতামালা, অ্যালবাম, পোস্টার ইত্যাদি।
নজরুল ইনস্টিটিউট উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ (সংশোধিত) প্রকল্পের আওতায় নজরুল বিষয়ক ১৩টি গবেষণা বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।
নজরুল গবেষণা বৃত্তির বিষয়গুলো হলো :
১. নজরুলের চিকিৎসা
২. স্বাধীনতা আন্দোলনে নজরুলের অবদান
৩. নজরুল-শব্দ পঞ্জি
৪. নজরুল সাহিত্যের নন্দনতাত্ত্বিক বিচার
৫ নজরুলসঙ্গীতের সুর
৬. নজরুল সাহিত্যে যুব শক্তি
৭. নজরুল তৃতীয় বিশ্বের মুখপাত্র
৮. লোকায়ত নজরুল
৯. নজরুলের রাজনৈতিক চিন্তা-চেতনা
১০. নাট্যকার নজরুল
১১. নারী জাগরণ ও নজরুল-সাহিত্যে নারী
১২. কথাসাহিত্যিক নারুল
১৩. নজরুল সাহিত্যে সমাজচিন্তা।

