জাগো জাগো বধূ জাগো নব বাসরে | Jago jago bodhu jago nobo bashore | নজরুলগীতি বা নজরুল সঙ্গীত বাংলাভাষার অন্যতম প্রধান কবি ও সংগীতজ্ঞ কাজী নজরুল ‘ইসলাম লিখিত গান। তার সীমিত কর্মজীবনে তিনি ৩০০০-এরও বেশি গান রচনা করেছেন। এসকল গানের বড় একটি অংশ তারই সুরারোপিত।
ভৈরবী – আদ্ধা-কাওয়ালি

জাগো জাগো বধূ জাগো নব বাসরে গানের কথা:
জাগো –
জাগো বধূ জাগো নব বাসরে।
গৃহ-দীপ জ্বালো কল্যাণ-করে॥
ভুবনের ছিলে, এলে ভবনে,
স্বপন হতে এলে জাগরণে,
শ্রী-মতী আসিলে শ্রী-হীন ঘরে॥
স্বপন-বিহারিণী অকুণ্ঠিতা,
পরিলে গুণ্ঠন সলাজ ভীতা,
কমলা আসিলে কাঁকন পরে॥

ডি এম লাইব্রেরি থেকে চন্দ্রবিন্দু’ গ্রন্থটি ১৩৩৮ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে ( ১৯৩১ সালের সেপ্টেম্বর ) চন্দ্রবিন্দু প্রথম প্রকাশিত হয়। মূল্য ছিল দুই টাকা। গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয়েছিল এই লিখে : “পরম শ্রদ্ধেয় শ্রীমদ্দাঠাকুর শ্রীযুক্ত শরৎচন্দ্র পন্ডিত মহাশয়ের শ্রীচরণকমলে”। স্বীয় পুত্র বুলবুলের মৃত্যুর পর নজরুল তাঁর প্রধানত ; হাস্যরসাত্মক ‘চন্দ্রবিন্দু’ সংগীত গ্রন্থের প্রায় সব গান রচনা করেন।

কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬; ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ – ১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) বিংশ শতাব্দীর প্রধান বাঙালি কবি ও সঙ্গীতকার। তার মাত্র ২৩ বৎসরের সাহিত্যিক জীবনে সৃষ্টির যে প্রাচুর্য তা তুলনারহিত। সাহিত্যের নানা শাখায় বিচরণ করলেও তার প্রধান পরিচয় তিনি কবি।। তার জীবন শুরু হয়েছিল অকিঞ্চিতকর পরিবেশে। স্কুলের গণ্ডি পার হওয়ার আগেই ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে তিনি ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন।
