কেন দিলে এ কাঁটা যদি গো | Keno dile a kata jodi go | সকল নজরুলগীতি ১০টি ভাগে বিভাজ্য। এগুলো হলোঃ ভক্তিমূলক গান, প্রণয়গীতি, প্রকৃতি বন্দনা, দেশাত্মবোধক গান, রাগপ্রধান গান, হাসির গান, ব্যাঙ্গাত্মক গান, সমবেত সঙ্গীত, রণ সঙ্গীত এবং, বিদেশীসুরাশ্রিত গান।
রাগঃ বেহাগ
তালঃ দাদ্রা

কেন দিলে এ কাঁটা যদি গো গানের কথা:
কেন দিলে এ কাঁটা যদি গো কুসুম দিলে ফুটিত না কি কমল ও কাঁটা না বিঁধিলে।। কেন এ আঁখি-কূলে বিধুর অশ্রু দুলে কেন দিলে এ হৃদি যদি না হৃদয় মিলে।। কেন কামনা-ফাঁদে রূপ-পিপাসা কাঁদে শোভিত না কি কপোল ও কালো তিল নহিলে।। কাঁটা-নিকুঞ্জে কবি এঁকে যা সুখের ছবি নিজে তুই গোপন রবি তোরি আঁখির সলিলে।।

কেন দিলে এ কাঁটা যদি গো [ নজরুল সঙ্গীত ] – অরুপ বিশ্বাস :
কেন দিলে এ কাঁটা যদি গো স্বরলিপি:


কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬; ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ – ১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) বিংশ শতাব্দীর প্রধান বাঙালি কবি ও সঙ্গীতকার। তার মাত্র ২৩ বৎসরের সাহিত্যিক জীবনে সৃষ্টির যে প্রাচুর্য তা তুলনারহিত। সাহিত্যের নানা শাখায় বিচরণ করলেও তার প্রধান পরিচয় তিনি কবি।
তার জীবন শুরু হয়েছিল অকিঞ্চিতকর পরিবেশে। স্কুলের গণ্ডি পার হওয়ার আগেই ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে তিনি ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন। মুসলিম পরিবারের সন্তান এবং শৈশবে ইসলামী শিক্ষায় দীক্ষিত হয়েও তিনি বড় হয়েছিলেন একটি ধর্মনিরপেক্ষ সত্তা নিয়ে। একই সঙ্গে তার মধ্যে বিকশিত হয়েছিল একটি বিদ্রোহী সত্তা। ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দে ব্রিটিশ সরকার তাকে রাজন্যদ্রোহিতার অপরাধে কারাবন্দী করেছিল। তিনি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীন অবিভক্ত ভারতের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হয়েছিলেন।

