কাজী নজরুল ইসলাম এর উক্তি

কাজী নজরুল ইসলাম এর উক্তি:- কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর প্রধান বাঙালি কবি ও সঙ্গীতকার। তার মাত্র ২৩ বৎসরের সাহিত্যিক জীবনে সৃষ্টির যে প্রাচুর্য তা তুলনারহিত। সাহিত্যের নানা শাখায় বিচরণ করলেও তার প্রধান পরিচয় তিনি কবি। তার জীবন শুরু হয়েছিল অকিঞ্চিতকর পরিবেশে। স্কুলের গণ্ডি পার হওয়ার আগেই ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দে তিনি ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন। মুসলিম পরিবারের সন্তান এবং শৈশবে ইসলামী শিক্ষায় দীক্ষিত হয়েও তিনি বড় হয়েছিলেন একটি ধর্মনিরপেক্ষ সত্তা নিয়ে। একই সঙ্গে তার মধ্যে বিকশিত হয়েছিল একটি বিদ্রোহী সত্তা। ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ সরকার তাকে রাজন্যদ্রোহিতার অপরাধে কারাবন্দী করেছিল। তিনি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীন অবিভক্ত ভারতের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হয়েছিলেন।

 

কাজী নজরুল ইসলাম এর উক্তি

কাজী নজরুল ইসলামের প্রেরণামূলক বাণী:-

  • অন্ধের মতো কিছু না বুঝিয়া, না শুনিয়া, ভেড়ার মতো পেছন ধরিয়া চলিও না । নিজের বুদ্ধি, নিজের কার্যশক্তিকে জাগাইয়া তোলে
  • আজি হ’তে শত বর্ষে আগে, কে কবি, স্মরণ তুমি করেছিলে আমাদের শত অনুরাগে
  • আমরা রচি ভালোবাসার, আশার ভবিষ্যৎ, মোদের স্বর্গ-পথের আভাস দেখায়, আকাশ-ছায়াপথ! মোদের চোখে বিশ্ববাসীর, স্বপ্ন দেখা হোক সফল। আমরা ছাত্রদল
  • ঝড়, নাচবে তুফান, টুটবে সকল বন্ধন, কাঁপবে কুটীর সেদিন ত্রাসে, জাগবে বুকে ক্রন্দন- টুটবে যবে বন্ধন! পড়বে মনে, নেই সে সাথে, বাঁধবে বুকে দুঃখ-রাতে-, আপনি গালে যাচবে চুমা, চাইবে আদর, মাগবে ছোঁওয়া, আপনি যেচে চুমবে-, বুঝবে সেদিন বুঝবে
  • বহু যুবককে দেখিয়াছি যাহাদের যৌবনের উর্দির নিচে বার্ধকের কঙ্গাল মূর্তি
  • ব্যর্থ না হওয়ার সব চাইতে নিশ্চিন্ত পথ হলো সাফল্য অর্জনে দৃঢ় সঙ্কল্প হওয়া
  • রক্ত ঝরাতে পারি না তো একা, তাই, লিখে যাই এ রক্ত লেখা
  • সত্য যদি লক্ষ্য হয়, সুন্দর ও মঙ্গলের সৃষ্টি সাধনা ব্রত হয়, তবে তাহার লেখা সম্মান লাভ করিবেই করিবে

 

দুঃখ ও বিরহ নিয়ে কাজী নজরুল ইসলামের বাণী:-

  • আমাদের শত ব্যথিত হৃদয়ে, জাগিয়া রহিবে তুমি ব্যথা হ’য়ে, হ’লে পরিজন চির-পরিচয়ে-, পুনঃ পাব তব দরশন, এ নহে পথের আলাপন
  • আমার যাবার সময় হল দাও বিদায় মোছ আঁখি দুয়ার খোল দাও বিদায়
  • আমি নিজেই নিজের ব্যথা করি সৃজন, শেষে সেই আমারে কাঁদায়, যারে করি আপনারি জন
  • আসবে আবার আশিন-হাওয়া, শিশির-ছেঁচা রাত্রি, থাকবে সবাই – থাকবে না এই মরণ-পথের যাত্রী! আসবে শিশির-রাত্রি! থাকবে পাশে বন্ধু স্বজন, থাকবে রাতে বাহুর বাঁধন, বঁধুর বুকের পরশনে, আমার পরশ আনবে মনে-, বিষিয়ে ও-বুক উঠবে-, বুঝবে সেদিন বুঝবে!
  • এই নীরব নিশীথ রাতে, শুধু জল আসে আঁখিপাতে!
  • কপালে সুখ লেখা না থাকলে সে কপাল পাথরে ঠুকেও লাভ নেই। এতে কপাল যথেষ্টই ফোলে, কিন্তু ভাগ্য একটুও ফোলে না
  • গাইতে গিয়ে কন্ঠ ছিড়ে আসবে যখন কান্না, বলবে সবাই- সেই যে পথিক তার শোনানো গান না?- আসবে ভেঙ্গে কান্না, পড়বে মন আমার সোহাগ, কন্ঠে তোমার কাদবে বেহাগ, পড়বে মনে আমার ফাকি, অশ্রুহারা কঠিন আখি, ঘন ঘন মুছবে, বুঝবে সেদিন বুঝবে
  • নুড়ি হাজার বছর ঝরণায় ডুবে থেকেও রস পায় না।
  • ফোটে যে ফুল আঁধার রাতে ঝরে ধুলায় ভোর বেলাতে আমায় তারা ডাকে সাথী আয়রে আয় সজল করুণ নয়ন তোলো দাও বিদায়
  • মৃত্যুর যন্ত্রণার চেয়ে বিরহের যন্ত্রণা যে কতো কঠিন, কতো ভয়ানক তা একমাত্র ভুক্তভুগিই অনুভব করতে পারে।
    যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে, অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুঁছবে, বুঝবে সেদিন বুঝবে
    স্বপন ভেঙ্গে নিশুত রাতে, জাগবে হঠাৎ চমকে, কাহার যেন চেনা ছোয়ায় উঠবে ও-বুক ছমকে-, জাগবে হঠাৎ ছমকে, ভাববে বুঝি আমিই এসে, বসনু বুকের কোলটি ঘেষে, ধরতে গিয়ে দেখবে যখন, শূন্য শয্যা মিথ্যা স্বপন, বেদনাতে চোখ বুজবে- বুঝবে সেদিন বুঝবে
  • স্বপনে কি যে কয়েছি তাই গিয়াছে চলে, জাগিয়া কেঁদে ডাকি দেবতায়, প্রিয়তম প্রিয়তম প্রিয়তম
  • হাসি দিয়ে যদি লুকালে তোমার সারা জীবনের বেদনা, আজো তবে শুধু হেসে যাও, আজ বিদায়ের দিনে কেঁদোনা
    হে দারিদ্র্য, তুমি মোরে ক’রেছ মহান! তুমি মরে দানিয়াছ খ্রিষ্টের সম্মান

 

ধর্ম, মানবতা ও সমাজ নিয়ে কাজী নজরুল ইসলামের উক্তি :-

  • অনেক সময় খুব বেশি বিনয় দেখাতে গিয়ে নিজের সত্যেকে অস্বীকার করে ফেলা হয় । তাতে মানুষকে ক্রমেই ছোট করে ফেলে, মাথা নিচু করে আনে ও রকম মেয়েলি বিনয়ের চেয়ে অহংকারের পৌরুষ অনেক ভালো।
  • অসুন্দর পৃথিবীকে সুন্দর করতে; সর্বনির্যাতন থেকে মুক্ত করতেই মানুষের জন্ম।
    আমি এই দেশে, এই সমাজে জন্মেছি বলেই শুধু এই দেশের, এই সমাজেরই নই, আমি সকল দেশের সকল মানুষের
    ও কারা কোরাণ বেদ বাইবেল চুম্বিছে মরি মরি, ও মুখ হইতে কেতাব গ্রন্থ নাও জোর করে কেড়ে, যাহারা আনিল গ্রন্থ- কেতাব সেই মানুষেরে মেরে, পুজিছে গ্রন্থ ভন্ডের দল! – মুর্খরা সব শোন, মানুষ এনেছে গ্রন্থ; গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোনও
    খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে, বিরাট শিশু আনমনে। প্রলয় সৃষ্টি তব পুতুল খেলা, নিরজনে প্রভু নিরজনে।
  • গাহি সাম্যের গান – মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই , নহে মহীয়ান।
  • জানিস নাকি ধর্ম সে যে বর্মসম সহনশীল, তাই কি ভাই ভাঙতে পারে ছোঁওয়া ছুঁয়ির ছোট্ট ঢিল ? যে জাত-ধর্ম ঠুনকো এত আজ না হয় কাল ভাঙবে সে ত। যাক না সে জাত জাহান্নামে রইবে মানুষ নাই পরোয়া
  • তিনিই আর্টিস্ট, যিনি আর্ট ফুটাইয়া তুলিতে পারেন । আর্টের অর্থ সত্য প্রকাশ এবং সত্য মানেই সুন্দর; সত্য চিরমঙ্গলময়।
  • দূর আজানের মধুর ধ্বনি, বাজে, বাজে মসজিদের-ই মিনারে। মনেতে জাগে, হাজার বছর আগে, হজরত বেলালের অনুরাগে। তার খাস এলাহান, মাতাইতো প্রাণ। ভাঙ্গাইতো পাষান, জাগাইতো মহিমারে। দূর আজানের মধুর ধ্বনি, বাজে, বাজে মসজিদের-ই মিনারে
  • নামাজ পড়, রোজা রাখ, কলমা পড় ভাই,তোর আখেরের কাজ করে নে সময় যে আর নাই
  • পশুর মতো সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে আমাদের লাভ কী, যদি আমাদের গৌরব করার মতো কিছু না-ই থাকে।
  • পুঁথির বিধান যাক পুড়ে তোর, বিধির বিধান সত্য হোক
  • বাহিরের স্বাধীনতা গিয়াছে বলিয়া অন্তরের স্বাধীনতাকেও আমরা যেন বিসর্জন না দিই
  • বিশ্ব যখন এগিয়ে চলেছে, আমরা তখনও বসে- বিবি তালাকের ফতোয়া খুঁজেছি, ফিকাহ ও হাদিস চষে
  • মরিছে হিন্দু, মরে মুসলিম এ উহার ঘায়ে আজ, বেঁচে আছে যারা মরিতেছে তারা, এ-মরণে নাহি লাজ! জেগেছে শক্তি তাই হানাহানি, অস্ত্রে অস্ত্রে নব জানাজানি! আজি পরীক্ষা-কাহার দস্ত হয়েছে, কত দরাজ! কে মরিবে কাল সম্মুখ-রণে, মরিতে কা’রা নারাজ!
  • মসজিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই, যেন গোরে থেকেও মোয়াজ্জিনের আজান শুনতে পাই
  • মিথ্যা শুনিনি ভাই, এই হৃদয়ের চেয়ে বড় কোনও মন্দির-কাবা নাই
  • মৌ-লোভী যত মৌলবি আর মোল-লা’রা কন হাত নেড়ে, দেব-দেবী নাম মুখে আনে সবে দাও পাজিটার জাত মেরে, ফতোয়া দিলাম কাফের কাজী ও, যদিও শহীদ হইতে রাজি ও, আমপারা পড়া হামবড়া মোরা এখনও বেড়াই ভাত মেরে, হিন্দুরা ভাবে পার্শী শব্দে কবিতা লেখে ও পা’ত নেড়ে
  • যার ভিত্তি পচে গেছে, তাকে একদম উপড়ে ফেলে নতুন করে ভিত্তি না গাঁথলে তার ওপর ইমারত যতবার খাঁড়া করা যাবে, ততবার তা পড়ে যাবে।
  • যুগের ধর্ম এই- পীড়ন করিলে সে পীড়ন এসে পীড়া দেবে তোমাকেই!
  • যেথা সবে-সম-পাপী, আপন পাপের বাটখারা দিয়ে অন্যের পাপ মাপি, জবাবদিহির কেন এত ঘটা যদি দেবতাই হও, টুপি পড়ে টিকি রেখে সদা বলো যেন তুমি পাপী নও, পাপী নও যদি কেন এ ভড়ং ট্রেডমার্কার ধুম, পুলিশি পোশাক পরিয়া হয়েছ পাপের আসামী গুম
  • রাখাল বলিয়া কারে করো হেলা, ও-হেলা কাহারে বাজে! হয়তো গোপনে ব্রজের গোপাল এসেছে রাখাল সাজে !
  • শাস্ত্র না ঘেটে ডুব দাও সখা সত্য সিন্ধু জলে।
  • শিহরি উঠো না শাস্ত্রবিদেরের ক’রোনা ক’ বীর ভয়, তাহারা খোদার খোদ ‘প্রাইভেট সেক্রেটারি’ তো নয়।
  • শোন মর্ত্যের জীব অন্যের যত করিবে পীড়ন নিজে হবে তত ক্লীব।
  • সত্য যদি হয় ধ্রুব তোর, কর্মে যদি না রয় ছল,ধর্ম দুগ্ধে না রয় জল, সত্যের জয় হবেই হবে আজ নয় কাল মিলবেই ফল
  • সত্যকে অস্বীকার করিয়া ভন্ডামি দিয়া কখনো মঙ্গল উৎসবের কল্যাণ প্রদীপ জ্বলিবে না
  • হিন্দু না ওরা মুসলিম এই জিজ্ঞাসে কোন জন হে, কাণ্ডারি বল ডুবিছে মানুষ সন্তান মোর মা’র
  • হেথা সবে সম পাপী, আপন পাপের বাটখারা দিয়ে অন্যের পাপ মাপি!

 

নারী নিয়ে কাজী নজরুল ইসলাম এর বিখ্যাত বাণী:-

  • আপনারে আজ প্রকাশের তব নাই সেই ব্যাকুলতা, আজ তুমি ভীরু আড়ালে থাকিয়া নেপথ্যে কও কথা! চোখে চোখে আজ চাহিতে পার না; হাতে রুলি, পায়ে মল, মাথায় ঘোমটা, ছিঁড়ে ফেল নারী, ভেঙে ফেল ও শিকল! যে-ঘোমটা তোমায় করিয়াছে ভীরু ওড়াও সে আবরণ! দূর করে দাও দাসীর চিহ্ন ঐ যতো আবরণ
  • কান্না হাসির খেলার মোহে অনেক আমার কাটল বেলা, কখন তুমি ডাক দেবে মা, কখন আমি ভাঙব খেলা ?
  • কোনকালে একা হয়নিকো জয়ী, পূরুষের তরবারী; প্রেরনা দিয়েছে, শক্তি দিয়াছে, বিজয়-লক্ষী নারী
  • খেলে চঞ্চলা বরষা-বালিকা, মেঘের এলোকেশে ওড়ে পুবালি বায়, দোলে গলায় বলাকার মালিকা
  • তোমার মমতা-মানিক আলোকে চিনিনু …, মাতা তুমি লাঞ্ছিতা বিশ্ব-জননী। তোমার আঁচল পাতা নিখিল দুঃখী-নিপীড়িত তবে, বিষ শুধু তোমা দহে যথা তব মাগো পীড়িত নিখিল ধরণীর ভার বহে
  • নর-ভাবে আমি বড় নারী ঘেঁষা! নারী ভাবে, নারী বিদ্বেষী!
  • বিশ্বে যা-কিছু মহান সৃষ্টি চির-কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।, বিশ্বে যা-কিছু এল পাপ-তাপ
  • বেদনা অশ্রুবারি, অর্ধেক তার আনিয়াছে নর, অর্ধেক তার নারী
  • ভগবান! তুমি চাহিতে পার কি ঐ দুটি নারীর পানে? জানি না, তোমায় বাঁচাবে কে যদি ওরা অভিশাপ হানে!
  • সর্বসহা কন্যা মোর! সর্বহারা মাতা! শূন্য নাহি রহে কভূ মাতা ও বিধাতা!

 

বসন্ত নিয়ে কাজী নজরুল ইসলামের বাণী:-

  • আসে বসন্ত ফুল বনে সাজে বনভূমি সুন্দরী; চরণে পায়েলা রুমুঝুমু মধুপ উঠিছে গুঞ্জরি
  • বসন্ত এলো এলো এলোরে, পঞ্চম স্বরে কোকিল কুহুরে, মুহু মুহু কুহু কুহু তানে, মাধবী নিকুঞ্জে পুঞ্জে পুঞ্জে, ভ্রমর গুঞ্জে গুঞ্জে গুনগুন গানে
  • বসন্ত মুখর আজি দক্ষিণ সমীরণে মর্মর গুঞ্জনেবনে বনে বিহ্বল বাণী ওঠে বাজি।

 

বিদ্রোহ ও প্রতিবাদ বিষয়ে কাজী নজরুল ইসলামের উক্তি সমূহ:-

  • আমি বন্ধনহারা কুমারীর বেনী, তন্বী নয়নে বহ্নি, আমি ষোড়শীর হৃদি-সরসিজ প্রেম উদ্দাম, আমি ধন্যি
  • আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দিই পদ-চিহ্ন
  • আমি বেদুইন, আমি চেঙ্গিস, আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কূর্ণিশ
  • কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট, রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী
  • ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গান, আসি’ অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা, দিবে কোন বলিদান?
  • বল বীর-বল উন্নত মম শির! শির নেহারি আমারি নতশির ওই শিখর হিমাদ্রির
  • মহা – বিদ্রোহী রণক্লান্ত, আমি সেই দিন হব শান্ত।, যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে-বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ ভীম রণ, ভূমে রণিবে না-, বিদ্রোহী রণক্লান্ত, আমি সেই দিন হব শান্ত

 

ভালোবাসা বিষয়ক নজরুলের উক্তি সমূহ:-

  • আমার বুকের যে কাঁটা-ঘা তোমায় ব্যথা হানত, / সেই আঘাতই যাচবে আবার হয়তো হয়ে শ্রান্ত / আসব তখন পান্থ ! / হয়তো তখন আমার কোলে, / সোহাগ লোভে পড়বে ঢ’লে / আপনি সেদিন সেধে-কেঁদে / চাপবে বুকে বাহু বেঁধে, / চরন চু’মে পূজবে — / বুঝবে সেদিন বুঝবে!
  • আমার যাবার সময় হল দাও বিদায় , মোছ আঁখি দুয়ার খোল দাও বিদায়
  • কামনা আর প্রেম দুটি হচ্ছে সম্পুর্ণ আলাদা। কামনা একটা প্রবল সাময়িক উত্তেজনা মাত্র আর প্রেম হচ্ছে ধীর প্রশান্ত ও চিরন্তন
  • তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি প্রিয়, সে কি মোর অপরাধ? চাঁদেরে হেরিয়া কাঁদে চকোরিণী বলে না তো কিছু চাঁদ।
  • তোমারে যে চাহিয়াছে ভুলে একদিন, সে জানে তোমারে ভোলা কি কঠিন
  • প্রেম হল ধীর প্রশান্ত ও চিরন্তন
  • ভালবাসার কোন অর্থ বা পরিমাণ নেই
  • ভালোবাসা দিয়ে ভালোবাসা না পেলে তার জীবন দুঃখের ও জড়তার
  • ভালোবাসাকে যে জীবনে অপমান করে সে জীবনে আর ভালোবাসা পায় না
  • মিথ্যা শুনিনি ভাই, এই হৃদয়ের চেয়ে বড় কোনো মন্দির-কাবা নাই
  • মৃত্যুর যন্ত্রণার চেয়ে বিরহের যন্ত্রণা যে কতো কঠিন, কতো ভয়ানক তা একমাত্র ভুক্তভোগীই অনুভব করতে পারে
  • যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে, অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে, বুঝবে সেদিন বুঝবে!
  • হয়তো তোমার পাব দেখা, যেখানে ঐ নত আকাশ চুমছে বনের সবুজ রেখা

 

google news logo
আমাদেরকে গুগল নিউজে ফলো করুন

 

Leave a Comment