ঐ কাজল কালো চোখ | Oi kajol kalo chokh | গানের মালা | নজরুল সঙ্গীত | কাজী নজরুল ইসলাম

ঐ কাজল কালো চোখ | Oi kajol kalo chokh | নজরুলের আবির্ভাব ও কর্মকাল রবীন্দ্রযুগের অন্তর্ভূত। তবু নজরুল রবীন্দ্রনাথের প্রভাব বলয়ের সম্পূর্ণ বাইরে থেকে গীত রচনা করেছেন ও সুরারোপ করেছেন। তিনি বাংলা গানে বিচিত্র সুরের উৎস। রবীন্দ্রনাথের মতো তিনিও একই সঙ্গে গীতিকার, সুরকার ও সুগায়ক। গানের সংখ্যায় তিনি রবীন্দ্রনাথকেও ছাড়িয়ে গেছেন। তিনি বহু নতুন সুরের স্রষ্টা। বিচিত্র সুর আর তালে তার গান নিত্য নতুন।

বেহাগ–খাম্বাজ দাদরা

 

ঐ কাজল কালো চোখ | Oi kajol kalo chokh | গানের মালা | নজরুল সঙ্গীত | কাজী নজরুল ইসলাম
কাজী নজরুল ইসলাম [ Kazi nazrul islam ]

ঐ কাজল কালো চোখ গানের কথা :

ওই কাজল-কালো চোখ
আদি কবির আদি রসের
যেন দুটি শ্লোক।
ওই কাজল-কালো চোখ॥
পুষ্প-লতার পত্রপুটে
দুটি কুসুম আছে ফুটে,
সেই আলোকে রেঙে ওঠে
বনের গহন লোক (গো)
আমার মনের গহন লোক॥
রূপের সায়র সাঁতরে বেড়ায়
পানকৌড়ি পাখি
ওই কাজল-কালো আঁখি।
মদির আঁখির নীল পেয়ালায়
শরাব বিলাও নাকি,
মদালসা সাকি!

তারার মতো তন্দ্রাহারা
তোমার দুটি আঁখিতারা
আমার চোখে চেয়ে চেয়ে
অশ্রুসজল হোক॥

কাজী নজরুল ইসলাম 2 ঐ কাজল কালো চোখ | Oi kajol kalo chokh | গানের মালা | নজরুল সঙ্গীত | কাজী নজরুল ইসলাম

নজরুলগীতি বা নজরুল ‘সঙ্গীত বাংলাভাষার অন্যতম প্রধান কবি ও সংগীতজ্ঞ কাজী নজরুল ‘ইসলাম লিখিত গান। তার সীমিত কর্মজীবনে তিনি ৩০০০-এরও বেশি গান রচনা করেছেন। এসকল গানের বড় একটি অংশ তারই সুরারোপিত। তার রচিত চল্‌ চল্‌ চল্‌, ঊর্ধ্বগগণে বাজে মাদল বাংলাদেশের রণসংগীত।

 

ঐ কাজল কালো চোখ

 

কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬; ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ – ১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) বিংশ শতাব্দীর প্রধান বাঙালি কবি ও সঙ্গীতকার। তার মাত্র ২৩ বৎসরের সাহিত্যিক জীবনে সৃষ্টির যে প্রাচুর্য তা তুলনারহিত। সাহিত্যের নানা শাখায় বিচরণ করলেও তার প্রধান পরিচয় তিনি কবি।

 

google news logo
আমাদেরকে গুগল নিউজে ফলো করুন

 

যে নজরুল সুগঠিত দেহ, অপরিমেয় স্বাস্থ্য ও প্রাণখোলা হাসির জন্য বিখ্যাত ছিলেন, ১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দে তিনি মারাত্মকভাবে স্নায়বিক অসুস্থতায় আক্রান্ত হয়ে পড়লে আকস্মিকভাবে তার সকল সক্রিয়তার অবসান হয়। ফলে ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যু অবধি সুদীর্ঘ ৩৪ বছর তাকে সাহিত্যকর্ম থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকতে হয়। বাংলাদেশ সরকারের প্রযোজনায় ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে তাকে সপরিবারে কলকাতা থেকে ঢাকা স্থানান্তর করা হয়। ১৯৭৬ সালে তাকে বাংলাদেশের জাতীয়তা প্রদান করা হয়। এখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

Leave a Comment