আমি চিরতরে দুরে চলে যাব | Ami chirotore dure chole jabo | নজরুলগীতি বা নজরুল সঙ্গীত বাংলাভাষার অন্যতম প্রধান কবি ও সংগীতজ্ঞ কাজী’ নজরুল ইসলাম লিখিত গান। তার সীমিত কর্মজীবনে তিনি ৩০০০-এরও বেশি গান রচনা করেছেন। এসকল গানের বড় একটি অংশ তারই সুরারোপিত। তার রচিত চল্ চল্ চল্, ঊর্ধ্বগগণে বাজে মাদল বাংলাদেশের রণসংগীত।
রাগঃ সিন্ধু-কাফি
তালঃ দাদ্রা

আমি চিরতরে দুরে চলে যাব গানের কথা:
আমি চিরতরে দূরে চলে যাব তবু আমারে দেব না ভুলিতে আমিবাতাস হইয়া জড়াইব কেশ বেণী যাবে যবে খুলিতে।। তোমার সুরের নেশায় যখন ঝিমাবে আকাশ কাঁদিবে পবন রোদন হইয়া আসিব তখন তোমার বক্ষে দুলিতে।। আসিবে তোমার পরমোৎসব — কত প্রিয়জন কে জানে, মনে প’ড়ে যাবে কোন্ সে ভিখারি পায়নি ভিক্ষা এখানে। তোমার কুঞ্জ-পথে যেতে হায় চমকি’ থামিয়া যাবে বেদনায় দেখিবে কে যেন ম’রে মিশে আছে তোমার পথের ধূলিতে।।

আমি চিরতরে দূরে চলে যাব [ নজরুল সঙ্গীত ] – বিটু শীল
আমি চিরতরে দুরে চলে যাব স্বরলিপি:

নজরুলগীতি বা নজরুল ‘সঙ্গীত বাংলাভাষার অন্যতম প্রধান কবি ও সংগীতজ্ঞ কাজী নজরুল ‘ইসলাম লিখিত গান। তার সীমিত কর্মজীবনে তিনি ৩০০০-এরও বেশি গান রচনা করেছেন। এসকল গানের বড় একটি অংশ তারই সুরারোপিত। তার রচিত চল্ চল্ চল্, ঊর্ধ্বগগণে বাজে মাদল বাংলাদেশের রণসংগীত।
তার কিছু গান জীবদ্দশায় গ্রন্থাকারে সংকলিত হয়েছিল যার মধ্যে রয়েছে গানের মালা, গুল বাগিচা, গীতি শতদল, বুলবুল ইত্যাদি। পরবর্তীকালে আরো গান সংগ্রন্থিত হয়েছে। তবে তিনি প্রায়শ তাৎক্ষণিকভাবে লিখতেন; একারণে অনুমান করা হয় প্রয়োজনীয় সংরক্ষণের অভাবে বহু গান হারিয়ে গেছে। তার কিছু কালজয়ী গানগুলো হলো ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’, ‘চল চল চল’, ‘ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ’ ইত্যাদি।

